মতিঝিল সিটি সেন্টারের সামনে নিষিদ্ধ সংগঠন হিযবুত তাহরির পক্ষে প্রোস্টার লাগানোর সময় গ্রেফতার হওয়া ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদালয়ের শিক্ষার্থী আমজাদ হোসেন বুখারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একদিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত।
মঙ্গলবার (২২ ডিসেম্বর) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন মো. সেফাতুল্লাহ রিমান্ডের আদেশ দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাউন্টার টেরোরিজম ইনভেস্টিগেশন ইউনিটের এসআই সাইফুল ইসলাম পল্টন মডেল থানার মামলায় তার তিন দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মো. রুকনুজ্জামান রিমান্ডের তথ্য নিশ্চিত করেন।
রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, এ ঘটনায় গত ২৩ সেপ্টেম্বর আসামি আমজাদ হোসেন বুখারীকে গ্রেফতার করে আদালতে নিয়ে আসা হয়। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আসামি কারাগারে আটক থাকা অবস্থায় পল্টন মডেল থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।
এ আসামিকে পুলিশ রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা যাবে। এজন্য আসামির তিন দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। পরে আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির দিন ২৩ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) ধার্য করেন।
শুনানিকালে আমজাদ হোসেন বুখারীকে আদালতে হাজির করা হয়। তার পক্ষে অ্যাডভোকেট ইলা নাজনীন রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। তিনি বলেন, ‘এ আসামি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। ঘটনা সম্পর্কে কিছু জানেন না। তিনি ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদালয়ের শিক্ষার্থী। সামনে পরীক্ষা। রিমান্ড বাতিলের প্রার্থনা করছি। প্রয়োজনে তাকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক।’ শুনানি নিয়ে আদালত তার একদিনের রিমান্ডের আদেশ দেয়।
মামলার বিবরণ থেকে, গত ৭ মার্চ দুপুর ২টার দিকে বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেট থেকে অজ্ঞাতনামা ২০০০/২২০০ জন মার্চ ফর খেলাফত, হিযবুত তাহরির, উলাইয়াহ্ বাংলাদেশ ব্যানারে মিছিল বের করে পল্টন মোড়ের দিকে যায়। তখন পুলিশ তাদের বাধা দেয়। পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে তারা সামনে এগিয়ে রাস্তার ওপর সরকারবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্বকে আঘাত করার প্রয়াসে পতাকা, ব্যানার, লাঠিসোটা হাতে নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেয়। পুলিশ বাধা দিলে আসামিরা তাদের ওপর ইট-পাটকেল মারতে থাকে ক। এ ঘটনায় পল্টন মডেল থানার ওসআই রাসেল মিয়া ৮ মার্চ সংশ্লিষ্ট থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন।
রিপোর্টারের নাম 




















