দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ সই অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে। শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) বিকেল ৪টা ৩৭ মিনিটে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউতে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জাতীয় সংগীত গাওয়ার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। এর আগে মঞ্চে আসেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। প্রধান উপদেষ্টা ছাড়াও অন্য উপদেষ্টাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন।
এর আগে বৈরী আবহাওয়ার কারণে জুলাই সনদ সই অনুষ্ঠান কিছুটা দেরিতে শুরু হবে বলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছিল।
উল্লেখ্য, দেশের নিবন্ধিত ৫৬টি দলের মধ্যে ২১টি এবং কয়েকটি অনিবন্ধিতসহ মোট ৩০টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা প্রায় আট মাস ধরে ধারাবাহিক বৈঠকে অংশগ্রহণের মাধ্যমে জুলাই জাতীয় সনদ চূড়ান্ত করেছেন। দলগুলোর মধ্যে আদর্শগত মতবিরোধ, উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় এবং ওয়াকআউটের মতো ঘটনা ঘটলেও বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে তারা দিনের পর দিন এক ছাদের নিচে বসে কার্যক্রম চালিয়ে গেছেন। পরে আজকের দিনে জুলাই যোদ্ধাদের বিক্ষোভের মুখে জুলাই সনদের অঙ্গীকারনামার পঞ্চম দফায় সংশোধন করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।
এদিকে, শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় জুলাই জাতীয় সনদের আইনি ভিত্তি ও নিজেদের দায়মুক্তিসহ তিন দফা দাবিতে ‘জুলাই যোদ্ধারা’ জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় সনদ সইয়ের মঞ্চে অবস্থান নেন। তারা দেয়াল টপকে ভেতরে ঢুকে পড়েন। পরে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। আন্দোলনকারীরা পুলিশের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং পুলিশের ব্যারিকেডের জন্য ব্যবহৃত রোড ব্লকারগুলো একত্রিত করে আগুন ধরিয়ে দেন। জুমার নামাজের পরপরই পুলিশ এবং ‘জুলাই যোদ্ধারা’ মুখোমুখি অবস্থান নিলে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়।
রিপোর্টারের নাম 



















