ঢাকা ০৫:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

ইন্দোনেশিয়ায় সামরিক অভিযানে নারী ও শিশুসহ ১২ বেসামরিক নাগরিক নিহত

ইন্দোনেশিয়ার অশান্ত পূর্বাঞ্চলীয় পাপুয়া প্রদেশে সামরিক অভিযানে নারী ও শিশুসহ অন্তত ১২ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। দেশটির জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (কমনাস এইচএএম) এই হৃদয়বিদারক ঘটনার আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

কমিশনের প্রধান অনিস হিদায়াহ জানান, গত মঙ্গলবার মধ্য পাপুয়ার কেমব্রু গ্রামে টিপিএনপিবি-ওপিএম নামক বিদ্রোহী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর একটি বিশেষ ‘আইন প্রয়োগ অভিযান’ চলাকালে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। মানবাধিকার কমিশনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে ইন্দোনেশীয় সেনাবাহিনীর সরাসরি সংশ্লিষ্টতা থাকার জোরালো প্রমাণ পাওয়া গেছে।

যদিও সেনাবাহিনী দাবি করেছে তারা কেবল চারজন সশস্ত্র বিদ্রোহীকে হত্যা করেছে, তবে মানবাধিকার কমিশন বলছে বেসামরিক হতাহতের ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। কমিশন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যুদ্ধ বা সংঘাতের যে কোনো পরিস্থিতিতে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর আক্রমণ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও মানবিক আইনের চরম লঙ্ঘন। কমিশন এই অঞ্চলে সামরিক অভিযান পুনর্বিবেচনা এবং সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এলপিজির দাম বাড়লো, ১২ কেজি সিলিন্ডার ১৯৪০ টাকা

ইন্দোনেশিয়ায় সামরিক অভিযানে নারী ও শিশুসহ ১২ বেসামরিক নাগরিক নিহত

আপডেট সময় : ০৩:৩৬:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

ইন্দোনেশিয়ার অশান্ত পূর্বাঞ্চলীয় পাপুয়া প্রদেশে সামরিক অভিযানে নারী ও শিশুসহ অন্তত ১২ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। দেশটির জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (কমনাস এইচএএম) এই হৃদয়বিদারক ঘটনার আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

কমিশনের প্রধান অনিস হিদায়াহ জানান, গত মঙ্গলবার মধ্য পাপুয়ার কেমব্রু গ্রামে টিপিএনপিবি-ওপিএম নামক বিদ্রোহী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর একটি বিশেষ ‘আইন প্রয়োগ অভিযান’ চলাকালে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। মানবাধিকার কমিশনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে ইন্দোনেশীয় সেনাবাহিনীর সরাসরি সংশ্লিষ্টতা থাকার জোরালো প্রমাণ পাওয়া গেছে।

যদিও সেনাবাহিনী দাবি করেছে তারা কেবল চারজন সশস্ত্র বিদ্রোহীকে হত্যা করেছে, তবে মানবাধিকার কমিশন বলছে বেসামরিক হতাহতের ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। কমিশন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যুদ্ধ বা সংঘাতের যে কোনো পরিস্থিতিতে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর আক্রমণ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও মানবিক আইনের চরম লঙ্ঘন। কমিশন এই অঞ্চলে সামরিক অভিযান পুনর্বিবেচনা এবং সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে।