লম্বা সময় ধরে রান খরায় ভুগছেন ভারতের টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। সর্বশেষ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৭ বলে ৫ রানে ফিরেছেন। এর পরেও তার ওপর পূর্ণ আস্থা রাখছেন সতীর্থ তিলক বর্মা। তিলকের মতে, হারানো ফর্ম ফিরে পেতে সূর্যকুমারের প্রয়োজন কেবল একটি ভালো ইনিংস।
আহমেদাবাদে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে পঞ্চম ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে ৩০ রানে জিতেছে ভারত। এই জয়ে ৩-১ ব্যবধানে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে স্বাগতিকরা। ম্যাচ শেষে জসপ্রীত বুমরা ও বরুণ চক্রবর্তীকে দলের মূল ভরসা হিসেবে অভিহিত করেন তিলক।
অধিনায়কের অফ-ফর্ম নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় তিলক সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, ‘আমি তাকে (সূর্যকুমার) বলছিলাম যে ক্রিজে গিয়ে শান্ত থাকতে এবং বল ব্যাটের মাঝখানে লাগানোর জন্য কিছুটা সময় নিতে। তাকে আরও বলেছিলাম, দলের প্রয়োজনে অন্য প্রান্ত থেকে রান বাড়িয়ে নেবো, আপনি শুধু ক্রিজে টিকে থেকে সময় নিন। ব্যাটের মাঝখানে বল লাগানোর যে অনুভূতি, সেটি ফিরে পাওয়া জরুরি।’
শেষ ম্যাচে তিলক বর্মা ৪২ বলে খেলেছেন ৭৩ রানের ঝড়ো ইনিংস। ছিল ১০টি চার ও ১টি ছয়ের মার। হার্দিক পান্ডিয়া ২৫ বলে উপহার দেন ৬৩ রানের বিস্ফোরক ইনিংস। যাতে ছিল ৫টি চার ও ৫টি ছয়। তাতে শুরুতে ৫ উইকেটে ২৩১ রানের পাহাড় গড়ে ভারত। জবাবে ৮ উইকেটে ২০১ রানে থামে দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস। ৩৫ বলে একমাত্র ৬৫ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেছেন কুইন্টন ডি কক।
বল হাতে ৫৩ রানে ৪ উইকেট নিয়ে সেরা বোলার ছিলেন বরুণ চক্রবর্তী। ১৭ রানে দুটি নেন বুমরা। একটি করে নেন আরশদীপ সিং ও হার্দিক পান্ডিয়া। ম্যাচসেরা পান্ডিয়া।
ভারতের প্রায় সব ব্যাটার রান পেলেও সূর্যকুমার ছিলেন ব্যর্থ। তিলক তাকে নিয়ে বলেছেন, ‘সবাই জানে তিনি কেমন খেলতে পারেন। আমি তাকে ফিল্ডারের ওপর দিয়ে মারার বদলে গ্যাপ খুঁজে খেলার পরামর্শ দিয়েছিলাম। যদি বল গ্যাপ দিয়ে বের করা যায়, তবে আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়। দিনটি তার ছিল না সত্যি, তবে আমরা সবাই তার সেই একটি ইনিংসের অপেক্ষায় আছি। একবার ছন্দ ফিরে পেলে তিনি কতটা বিপজ্জনক হতে পারেন, তা সবার জানা।’
পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৫ সালে সূর্যকুমারের টি-টোয়েন্টি ফর্ম একেবারেই হতাশাজনক। এই বছর ১৯ ইনিংসে মাত্র ১৩.৬২ গড়ে করেছেন ২১৮ রান। যেখানে একটিও হাফ সেঞ্চুরি নেই। অথচ আইপিএলে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে টানা ১৬ ইনিংসে অন্তত ২৫ বা তার বেশি রান করার রেকর্ড গড়েছিলেন এই ব্যাটার।
রিপোর্টারের নাম 

























