জেমস ক্যামেরনের কালজয়ী ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘অ্যাভাটার’-এর বহুল প্রতীক্ষিত তৃতীয় কিস্তি ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ ১৯ ডিসেম্বর বিশ্বজুড়ে মুক্তি পেয়েছে। কল্পবিজ্ঞানের এই বিস্ময়কর নতুন অধ্যায়টি একই দিনে বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্স ও ব্লকবাস্টার সিনেমাসসহ প্রধান প্রেক্ষাগৃহগুলোতেও প্রদর্শিত হচ্ছে। ২০২২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘দ্য ওয়ে অব ওয়াটার’-এর সাফল্যের পর মাত্র তিন বছরের ব্যবধানে আবারও বড় পর্দার জাদু নিয়ে ফিরলেন ক্যামেরন। এবারের পর্বে সুলি পরিবারের টিকে থাকার লড়াইয়ের পাশাপাশি দর্শকদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হচ্ছে ‘অ্যাশ পিপল’ বা নতুন এক আগুন উপজাতির সাথে, যারা গল্পের রোমাঞ্চকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ছবিটির প্রশংসা শুরু হয়েছে। সমালোচকদের মতে, জেমস ক্যামেরন আবারও তাঁর অতুলনীয় ভিজ্যুয়াল ম্যাজিক ও কারিগরি মুন্সিয়ানা দিয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করেছেন। এবারের গল্পে সুলি পরিবারের জ্যেষ্ঠ সন্তান নেটেয়ামের মৃত্যুর শোক এবং তাঁদের সন্তানদের বড় হয়ে ওঠার সংঘাতময় যাত্রাকে অত্যন্ত আবেগঘনভাবে চিত্রায়িত করা হয়েছে। ছবিতে অভিনয় করেছেন স্যাম ওয়ার্থিংটন, জো সালদানা, সিগরনি উইভার এবং কেট উইন্সলেটের মতো তারকারা। পরিচালক ক্যামেরন এই ছবিতে শরণার্থী ও বাস্তুচ্যুত পরিবারের সংগ্রামকেও রূপক অর্থে তুলে ধরেছেন, যা কাহিনীকে দর্শকহৃদয়ের আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে।

প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের দিক থেকে এই কিস্তি পূর্ববর্তী ছবিগুলোকেও ছাড়িয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সুরকার সাইমন ফ্র্যাংলেন টানা সাত বছর পরিশ্রম করে ছবিটির জন্য ১৯০৭ পাতার অর্কেস্ট্রা স্কোর ও বিশেষ বাদ্যযন্ত্র তৈরি করেছেন। উল্লেখ্য, ২০০৯ সালের প্রথম ‘অ্যাভাটার’ এবং ২০২২ সালের সিক্যুয়েলটি বক্স অফিসে বিলিয়ন ডলার আয়ের রেকর্ড গড়েছিল। জেমস ক্যামেরনের মতে, এই তৃতীয় কিস্তির ব্যবসায়িক সাফল্যই নির্ধারণ করবে এই ফ্র্যাঞ্চাইজির পরবর্তী ৪ ও ৫ নম্বর ছবির ভবিষ্যৎ। ১৯ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই ‘পান্ডোরা ঝড়’ আবারও বক্স অফিস কাঁপাতে প্রস্তুত।

রিপোর্টারের নাম 























