ঢাকা ০৪:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

নাগেশ্বরীতে গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার; স্বামী পলাতক

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে নিজ ঘর থেকে তিন সন্তানের জননী এক গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের বানিয়ার ভিটা গ্রাম থেকে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী পলাতক থাকায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

নিহত ওই গৃহবধূর নাম মহিমা বেগম (৪০)। তিনি ওই এলাকার রজব আলীর ছেলে সহিদুল ইসলাম বাবলুর স্ত্রী। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা মহিমাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে ফেলে রেখে যায়। সোমবার সকালে প্রতিবেশীরা ঘরের ভেতরে তার রক্তাক্ত নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

প্রাথমিক সুরতহালে মরদেহের গলায় ধারালো অস্ত্রের গভীর ক্ষত পাওয়া গেছে। পুলিশের ধারণা, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। ঘটনার পর থেকে স্বামী সহিদুল ইসলাম বাবলু আত্মগোপনে থাকায় তার ভূমিকা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ হিল জামান জানান, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশি তদন্ত শুরু হয়েছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এই ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

এদিকে, এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুরো এলাকায় গভীর শোক ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই ঘটনার রহস্য উন্মোচন এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি এখন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নাগেশ্বরীতে গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার; স্বামী পলাতক

আপডেট সময় : ০২:৫৪:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে নিজ ঘর থেকে তিন সন্তানের জননী এক গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়নের বানিয়ার ভিটা গ্রাম থেকে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী পলাতক থাকায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

নিহত ওই গৃহবধূর নাম মহিমা বেগম (৪০)। তিনি ওই এলাকার রজব আলীর ছেলে সহিদুল ইসলাম বাবলুর স্ত্রী। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা মহিমাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে ফেলে রেখে যায়। সোমবার সকালে প্রতিবেশীরা ঘরের ভেতরে তার রক্তাক্ত নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

প্রাথমিক সুরতহালে মরদেহের গলায় ধারালো অস্ত্রের গভীর ক্ষত পাওয়া গেছে। পুলিশের ধারণা, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। ঘটনার পর থেকে স্বামী সহিদুল ইসলাম বাবলু আত্মগোপনে থাকায় তার ভূমিকা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ হিল জামান জানান, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশি তদন্ত শুরু হয়েছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এই ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

এদিকে, এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুরো এলাকায় গভীর শোক ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই ঘটনার রহস্য উন্মোচন এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।