ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশ (আপ বাংলাদেশ)-এর প্রধান সংগঠক নাঈম আহমাদ অভিযোগ করেছেন যে, জনগণের শক্তির ওপর নির্ভর না করে দেশ পরিচালনার চেষ্টার কারণে বর্তমান সরকার আজ দিশেহারা এবং আসন্ন নির্বাচন ও সংস্কার প্রক্রিয়া সংকটে পড়েছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ড ও দেশের সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদে রোববার বিকেলে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে ‘আপ বাংলাদেশ’। ময়মনসিংহে শ্রমিক নেতা দিপু চন্দ্র এবং লক্ষ্মীপুরে শিশু আয়েশাকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে এই কর্মসূচি পালিত হয়। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নাঈম আহমাদ বলেন, প্রশাসনের ভেতরে ঘাপটি মেরে থাকা শেখ হাসিনা ও দিল্লির দোসরদের অপসারণ না করায় দেশব্যাপী পরিকল্পিত নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড চলছে।
বক্তারা অভিযোগ করেন, চট্টগ্রাম ও ঢাকায় একের পর এক হত্যাকাণ্ড, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যা এবং প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের ওপর হামলা একই ষড়যন্ত্রের অংশ। তাঁরা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ‘সক্রিয় নিষ্ক্রিয়তা’ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং দাবি করেন যে, সরকার কয়েকটি বড় রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ‘ফটোসেশন’ না করে অভ্যুত্থানের সকল অংশীদারদের সাথে নিয়ে কাজ করলে আজ এই গণবিচ্ছিন্ন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস খুনিদের বিচারের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে ব্যর্থ হয়েছেন বলেও সমাবেশে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে আপ বাংলাদেশের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা বর্তমান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে জবাবদিহির আওতায় আনার এবং জুলাই অভ্যুত্থানের যোদ্ধাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান। বক্তারা হুঁশিয়ারি দেন যে, যদি অবিলম্বে খুনিদের গ্রেফতার এবং রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র বন্ধে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া না হয়, তবে জনগণ আবারও রাজপথে নামতে বাধ্য হবে। সংকট উত্তরণে সকল রাজনৈতিক দলের মতামতের ভিত্তিতে সরকারকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
রিপোর্টারের নাম 
























