গুলশান থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় মেজর সাদেকুল ইসলামের স্ত্রী সুমাইয়া তাহমিদ যাফরিনকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মোজাম্মেল হক মামুনের আবেদন নিয়ে ঢাকার এডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসেন জুনায়েদের আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। গত ১১ ডিসেম্বর গুলশান থানার সন্ত্রাসবিরোধ আইনের মামলায় সুমাইয়া যাফরিনকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।
আবেদনে বলা হয়, এ মামলার গ্রেফতার আসামিদের জবানবন্দি এবং স্থানীয়ভাবে তদন্তে জানা যায়, কারাগারে সুমাইয়া তাহমিদ যাফরিন এ ঘটনায় মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের দেশের সার্বভৌমত্ব ও দেশের মানুষের নিরাপত্তা বিঘ্ন ঘটানো ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি প্রয়াসে একটি নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের অর্থজোগানদাতা, পরামর্শদাতা ও নির্দেশদাতা হিসেবে সক্রিয়ভাবে দেশবিরোধী প্রচারণায় অংশগ্রহণ করেন। আসামি নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সক্রিয় সদস্য বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়। তিনি ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গায় সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত সদস্যদের অর্থ জোগান দিয়ে থাকেন বলে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।
এছাড়াও আসামি ঘনিষ্ঠ লোকজন যারা নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের প্রভাবশালী নেতাকর্মী তাদের সঙ্গে আসামিরা নিয়মিত যোগাযোগ আছে বলে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। এ আসামি সারা বাংলাদেশের আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের কর্মীদের সুসংগঠিত করে দেশের মধ্যে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি করার লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে বলে প্রাথমিক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। মামলার সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে এ মামলায় আসামিকে গ্রেফতার দেখানো প্রয়োজন।
রাষ্ট্রপক্ষে প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন গ্রেফতার দেখানোর পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। পরে আদালত তাকে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দেয়।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, গত ২২ এপ্রিল সকালে গুলশান-১ এর জব্বার টাওয়ারের পাশে ৩০ থেকে ৩৫ জন সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল করে। আসামিরা দেশের সার্বভৌমত্ব ও জনগণের নিরাপত্তায় বিঘ্ন ঘটিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশে দেশবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেয়। পুলিশ সেখানে গিয়ে কয়েকজন আসামিকে গ্রেফতার করে। কয়েকজন পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় পুলিশ ওইদিনই গুলশান থানায় মামলা করে।
রিপোর্টারের নাম 





















