ঢাকা ০৭:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে প্রস্তাব পাঠাচ্ছে ইরান, চুক্তির আভাস দিলেন ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা নিরসনে নতুন এক কূটনৈতিক মোড় আসার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরান বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তবে এই প্রস্তাবের সুনির্দিষ্ট শর্তাবলি সম্পর্কে তিনি এখনও বিস্তারিত কিছু জানাননি।

ট্রাম্প বলেন, বর্তমানে ইরানের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধি দলের নিয়মিত যোগাযোগ ও আলোচনা চলছে। তিনি বিশ্বাস করেন, তেহরান আলোচনার মাধ্যমে একটি কার্যকর চুক্তিতে পৌঁছাতে আগ্রহী। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যেসব দাবি উত্থাপন করা হয়েছে, সেগুলোর সমাধান লক্ষ্য করেই ইরান এই প্রস্তাব তৈরি করছে বলে মনে করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই বক্তব্য দুই দেশের দীর্ঘদিনের বৈরী সম্পর্কের বরফ গলানোর একটি ইঙ্গিত হতে পারে। তবে প্রস্তাবটি হাতে পাওয়ার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ওয়াশিংটন। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে ইরানের এই পদক্ষেপ কতটুকু কার্যকর হবে, তা এখন দেখার বিষয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অভ্যন্তরীণ পর্যটন ও টেকসই সমাধান: বাংলাদেশের অর্থনীতির নতুন দিগন্ত

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে প্রস্তাব পাঠাচ্ছে ইরান, চুক্তির আভাস দিলেন ট্রাম্প

আপডেট সময় : ০৫:৩৮:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা নিরসনে নতুন এক কূটনৈতিক মোড় আসার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরান বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তবে এই প্রস্তাবের সুনির্দিষ্ট শর্তাবলি সম্পর্কে তিনি এখনও বিস্তারিত কিছু জানাননি।

ট্রাম্প বলেন, বর্তমানে ইরানের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধি দলের নিয়মিত যোগাযোগ ও আলোচনা চলছে। তিনি বিশ্বাস করেন, তেহরান আলোচনার মাধ্যমে একটি কার্যকর চুক্তিতে পৌঁছাতে আগ্রহী। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যেসব দাবি উত্থাপন করা হয়েছে, সেগুলোর সমাধান লক্ষ্য করেই ইরান এই প্রস্তাব তৈরি করছে বলে মনে করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই বক্তব্য দুই দেশের দীর্ঘদিনের বৈরী সম্পর্কের বরফ গলানোর একটি ইঙ্গিত হতে পারে। তবে প্রস্তাবটি হাতে পাওয়ার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ওয়াশিংটন। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে ইরানের এই পদক্ষেপ কতটুকু কার্যকর হবে, তা এখন দেখার বিষয়।