ঢাকা ০৫:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬

খিলগাঁওয়ে যুবকের আত্মহত্যার অভিযোগ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২২:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর খিলগাঁও নন্দিপাড়ায় পারভেজ (২৩) নামে এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তিনি একটি টিসু তৈরির কারখানায় চাকরি করতেন। 

মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে ঘটনাটি ঘটে। 

পরিবারের লোকজন দেখতে পেয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে রাত ২টা ১০ মিনিটের সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মৃত ঘোষণা করেন। 

সত্যতা নিশ্চিত করেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহটি হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে। 

মৃতার বড় বোন পান্না আক্তার বলেন, সে একটি টিস্যু তৈরির কারখানায় কাজ করতো। বর্তমানে ১৪ দিন যাবত কাজে যায়নি। এলাকার কিছু বকাটে ছেলের সঙ্গে চলাফেরা করতো। মাঝেমধ্যে মাদক সেবন করতো। কী কারণে, কেন সে আত্মহত্যা করেছে তা কেউ জানতে পারেনি। 

তিনি বলেন, গতকাল রাতে বাসায় কেউ ছিল না। সে সময় ঘরে কাঠের আড়ার সঙ্গে কাপড় পেচিয়ে ফাঁস দেয়। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে গিয়ে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে সেখান থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।  

তার গ্রামের বাড়ি বরিশালে। বর্তমানে খিলগাঁও নন্দীপাড়া আব্বাস আলী রোড ভাড়াবাসায় পরিবারের সঙ্গে থাকতো। বাবার নাম খায়রুঊদ্দিন। এক ভাই এক বোনের মধ্যে সে ছিল ছোট। 

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অর্থনীতিতে বহুমুখী চাপ: সিপিডি’র মতে, ঘুরে দাঁড়াতে গভীর সংস্কার প্রয়োজন

খিলগাঁওয়ে যুবকের আত্মহত্যার অভিযোগ

আপডেট সময় : ১০:২২:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজধানীর খিলগাঁও নন্দিপাড়ায় পারভেজ (২৩) নামে এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তিনি একটি টিসু তৈরির কারখানায় চাকরি করতেন। 

মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে ঘটনাটি ঘটে। 

পরিবারের লোকজন দেখতে পেয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে রাত ২টা ১০ মিনিটের সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মৃত ঘোষণা করেন। 

সত্যতা নিশ্চিত করেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহটি হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে। 

মৃতার বড় বোন পান্না আক্তার বলেন, সে একটি টিস্যু তৈরির কারখানায় কাজ করতো। বর্তমানে ১৪ দিন যাবত কাজে যায়নি। এলাকার কিছু বকাটে ছেলের সঙ্গে চলাফেরা করতো। মাঝেমধ্যে মাদক সেবন করতো। কী কারণে, কেন সে আত্মহত্যা করেছে তা কেউ জানতে পারেনি। 

তিনি বলেন, গতকাল রাতে বাসায় কেউ ছিল না। সে সময় ঘরে কাঠের আড়ার সঙ্গে কাপড় পেচিয়ে ফাঁস দেয়। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে গিয়ে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে সেখান থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।  

তার গ্রামের বাড়ি বরিশালে। বর্তমানে খিলগাঁও নন্দীপাড়া আব্বাস আলী রোড ভাড়াবাসায় পরিবারের সঙ্গে থাকতো। বাবার নাম খায়রুঊদ্দিন। এক ভাই এক বোনের মধ্যে সে ছিল ছোট।