আইপিএল ২০২৬-এর নিলামকে সামনে রেখে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের দল পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এপ্রিল মাসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের সিরিজ থাকার কারণে আইপিএলে তাদের অংশগ্রহণ সীমিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এপ্রিল মাসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ছয়টি সাদা বলের ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। ফলে ওই সময়ে আইপিএলে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের পুরো সময় নাও পাওয়া যেতে পারে। তবে এ বিষয়ে নমনীয় অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তবে সোমবার আবুধাবিতে নিলাম পূর্ব সভায় বিদেশি ক্রিকেটারদের প্রাপ্যতা নিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে হালনাগাদ তথ্য জানানোর কথা রয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই)।
ক্রিকবাজকে বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদীন জানিয়েছেন, আইপিএলের বেশির ভাগ সময়ের জন্যই খেলোয়াড়দের অনাপত্তিপত্র (এনওসি) দেওয়া হবে। নিউজিল্যান্ড সিরিজের জন্য ন্যূনতম প্রয়োজনীয় সময়েই কেবল খেলোয়াড়দের দেশে ফেরানো হবে।
নাজমুল আবেদীন বলেছেন, ‘আমরা আইপিএলের বেশির ভাগ সময়ের জন্য তাদের এনওসি দেব। আমরা চাই তারা যতটা সম্ভব আইপিএল খেলুক। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সাদা বলের সিরিজের জন্য ন্যূনতম প্রয়োজনেই আমরা তাদের ডেকে নেবো।’
চূড়ান্ত নিলাম তালিকায় রয়েছেন বাংলাদেশের ৭ ক্রিকেটার। তাদের ভিত্তিমূল্য ৩০ লাখ রুপি থেকে শুরু করে ২ কোটি রুপি পর্যন্ত। এই তালিকায় সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনাময় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন বাঁহাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমান। তবে জাতীয় দলের ব্যস্ত সূচির কারণে তারও আইপিএলে অংশগ্রহণ সীমিত হতে পারে। এমনকি গত মৌসুমের মতো এবারও তিনি দেরিতে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে টুর্নামেন্টে যোগ দিতে পারেন।
নিলামের চূড়ান্ত তালিকায় থাকা বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা হলেন— মোস্তাফিজুর রহমান (ভিত্তিমূল্য ২ কোটি রুপি), রিশাদ হোসেন (ভিত্তিমূল্য ৭৫ লাখ), তাসকিন আহমেদ (ভিত্তিমূল্য ৭৫ লাখ), তানজিম হাসান সাকিব (ভিত্তিমূল্য ৭৫ লাখ), নাহিদ রানা (ভিত্তিমূল্য ৭৫ লাখ), শরিফুল ইসলাম (ভিত্তিমূল্য ৭৫ লাখ) ও রাকিবুল হাসান (ভিত্তিমূল্য ৩০ লাখ)।
রিপোর্টারের নাম 
























