ঢাকা ০৪:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

দেশের এই ক্রান্তিকালে ঐক্য ধরে রাখা জরুরি: ঢাবি উপাচার্য

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৫৯:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য ড. নিয়াজ আহমেদ খান বলেছেন, দেশ একটি ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। এই সময়ে জাতীয় ঐক্য ধরে রাখা সবচেয়ে জরুরি।

রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

উপাচার্য বলেন, একাত্তরে বিজয়ের প্রাক্কালে এক গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, সাংবাদিক, চিন্তাবিদ ও বুদ্ধিজীবীরা নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। তাদের সেই আত্মত্যাগ ইতিহাসে চিরভাস্বর হয়ে আছে।

ড. নিয়াজ আহমেদ খান বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ যুগে যুগে ও প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বাঙালি জাতিকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়তে ঐক্যবদ্ধ করেছে এবং সাহস জুগিয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় জাতি ১৯৯০ ও ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে এগিয়ে গেছে।

তিনি বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ ঐক্য রক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোকবর্তিকা। একই সঙ্গে ১৯৫২, ১৯৬৮, ১৯৬৯, মহান মুক্তিযুদ্ধসহ প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে যারা রক্ত ও জীবন দিয়ে দেশের স্বাধীনতা ও মর্যাদা রক্ষা করেছেন, তাদের সবার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা।

ঢাবি উপাচার্য আরও বলেন, ১৯৫২ থেকে ২০২৪—প্রতিটি দিন ও ঘটনাপ্রবাহ জাতির মৌলিক পরিচয়ের অনন্য অধ্যায়। এর কোনও অংশ বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই। এই ইতিহাস যুগে যুগে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ রেখেছে। তাই বর্তমান সময়েও সেই ঐক্য ধরে রাখাই সবচেয়ে বড় প্রয়োজন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বজ্রপাতে নিহত পরিবারের পাশে এমপি বাচ্চু: খাদ্য ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান

দেশের এই ক্রান্তিকালে ঐক্য ধরে রাখা জরুরি: ঢাবি উপাচার্য

আপডেট সময় : ০২:৫৯:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য ড. নিয়াজ আহমেদ খান বলেছেন, দেশ একটি ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। এই সময়ে জাতীয় ঐক্য ধরে রাখা সবচেয়ে জরুরি।

রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

উপাচার্য বলেন, একাত্তরে বিজয়ের প্রাক্কালে এক গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, সাংবাদিক, চিন্তাবিদ ও বুদ্ধিজীবীরা নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। তাদের সেই আত্মত্যাগ ইতিহাসে চিরভাস্বর হয়ে আছে।

ড. নিয়াজ আহমেদ খান বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ যুগে যুগে ও প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বাঙালি জাতিকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়তে ঐক্যবদ্ধ করেছে এবং সাহস জুগিয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় জাতি ১৯৯০ ও ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে এগিয়ে গেছে।

তিনি বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ ঐক্য রক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোকবর্তিকা। একই সঙ্গে ১৯৫২, ১৯৬৮, ১৯৬৯, মহান মুক্তিযুদ্ধসহ প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে যারা রক্ত ও জীবন দিয়ে দেশের স্বাধীনতা ও মর্যাদা রক্ষা করেছেন, তাদের সবার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা।

ঢাবি উপাচার্য আরও বলেন, ১৯৫২ থেকে ২০২৪—প্রতিটি দিন ও ঘটনাপ্রবাহ জাতির মৌলিক পরিচয়ের অনন্য অধ্যায়। এর কোনও অংশ বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই। এই ইতিহাস যুগে যুগে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ রেখেছে। তাই বর্তমান সময়েও সেই ঐক্য ধরে রাখাই সবচেয়ে বড় প্রয়োজন।