ঢাকা ০৮:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

পাবনায় ৮ কুকুরছানা হত্যার ঘটনায় জামিন পেলেন আসামি নিশি

পাবনার ঈশ্বরদীতে আটটি কুকুরছানা হত্যার অভিযোগে মামলায় গ্রেফতার গৃহবধূ নিশি রহমান (৩৮) জামিন পেয়েছেন। রবিবার দুপুর ১২টায় পাবনা ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের আমলি-২ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট তরিকুল ইসলাম ৫ হাজার টাকা বন্ডে তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, প্রায় এক সপ্তাহ আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনে থাকা কুকুর ‘টম’ আটটি বাচ্চা প্রসব করে। সোমবার সকাল থেকে ছানাগুলোকে খুঁজে না পেয়ে কুকুরটির অস্বাভাবিক আচরণ, কান্না ও আর্তনাদ ছড়িয়ে পড়ে। পরে কর্মচারীদের মাধ্যমে জানা যায়, নিশি রহমান রাতের আঁধারে বস্তায় ভরে ওই ছানাগুলোকে উপজেলা পরিষদের পুকুরে ফেলে দেন। পরদিন সকালে পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয় আটটি কুকুরছানার মরদেহ।

ঘটনার পর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আকলিমা খাতুন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। ওই রাতেই ভাড়া বাসা থেকে নিশি রহমানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বুধবার দুপুরে তাকে ঈশ্বরদী থানা থেকে আমলি-২ আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তার জামিন আবেদনে আজ রবিবার শুনানির দিন ধার্য করেন। সে সময় নিশির কোলে ছিল দুই বছরের শিশুসন্তান। আদালতের নির্দেশে মা-ছেলেকে একসঙ্গেই কারাগারে পাঠানো হয়।

জেল কর্তৃপক্ষ জানায়, শিশুটি দুগ্ধপোষ্য হওয়ায় মায়ের সঙ্গেই কারাগারে থাকতে হয়েছে।

নিশির স্বামী ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা হাসানুর রহমান নয়ন বলেন, ‘আমার ছোট ছেলের বয়স দুই বছর। মায়ের সঙ্গে ওকেও কারাগারে থাকতে হয়েছে। আমরা আগেই জামিন আবেদন করেছিলাম, কিন্তু শুনানি হয়নি। আজ শুনানি শেষে জামিন হয়েছে।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত নিরসনে রাশিয়ার কড়া বার্তা: অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি ও বেসামরিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান

পাবনায় ৮ কুকুরছানা হত্যার ঘটনায় জামিন পেলেন আসামি নিশি

আপডেট সময় : ০১:৪৩:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

পাবনার ঈশ্বরদীতে আটটি কুকুরছানা হত্যার অভিযোগে মামলায় গ্রেফতার গৃহবধূ নিশি রহমান (৩৮) জামিন পেয়েছেন। রবিবার দুপুর ১২টায় পাবনা ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের আমলি-২ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট তরিকুল ইসলাম ৫ হাজার টাকা বন্ডে তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, প্রায় এক সপ্তাহ আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনে থাকা কুকুর ‘টম’ আটটি বাচ্চা প্রসব করে। সোমবার সকাল থেকে ছানাগুলোকে খুঁজে না পেয়ে কুকুরটির অস্বাভাবিক আচরণ, কান্না ও আর্তনাদ ছড়িয়ে পড়ে। পরে কর্মচারীদের মাধ্যমে জানা যায়, নিশি রহমান রাতের আঁধারে বস্তায় ভরে ওই ছানাগুলোকে উপজেলা পরিষদের পুকুরে ফেলে দেন। পরদিন সকালে পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয় আটটি কুকুরছানার মরদেহ।

ঘটনার পর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আকলিমা খাতুন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। ওই রাতেই ভাড়া বাসা থেকে নিশি রহমানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বুধবার দুপুরে তাকে ঈশ্বরদী থানা থেকে আমলি-২ আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তার জামিন আবেদনে আজ রবিবার শুনানির দিন ধার্য করেন। সে সময় নিশির কোলে ছিল দুই বছরের শিশুসন্তান। আদালতের নির্দেশে মা-ছেলেকে একসঙ্গেই কারাগারে পাঠানো হয়।

জেল কর্তৃপক্ষ জানায়, শিশুটি দুগ্ধপোষ্য হওয়ায় মায়ের সঙ্গেই কারাগারে থাকতে হয়েছে।

নিশির স্বামী ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা হাসানুর রহমান নয়ন বলেন, ‘আমার ছোট ছেলের বয়স দুই বছর। মায়ের সঙ্গে ওকেও কারাগারে থাকতে হয়েছে। আমরা আগেই জামিন আবেদন করেছিলাম, কিন্তু শুনানি হয়নি। আজ শুনানি শেষে জামিন হয়েছে।’