মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার ক্রোকিরচর ইসলামীয়া মহিলা ফাজিল মাদরাসায় জনবল ও শিক্ষার্থীর সংখ্যার মধ্যে এক অদ্ভুত অসামঞ্জস্যতা এবং হতাশাজনক ফলাফলের খবর পাওয়া গেছে। এবারের দাখিল পরীক্ষায় এই প্রতিষ্ঠানটি থেকে মাত্র ৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নিলেও পাস করেছে মাত্র একজন। অথচ এই ৮ জন শিক্ষার্থীর পাঠদানের জন্য প্রতিষ্ঠানটিতে ১৬ জন শিক্ষক ও ৫ জন কর্মচারী নিয়োজিত রয়েছেন।
প্রতিষ্ঠানটির মোট ২১ জন জনবলের পেছনে প্রতি মাসে সরকারের বেতন বাবদ প্রায় ৭ লাখ টাকা ব্যয় হচ্ছে। এমন বিপুল ব্যয়ের বিপরীতে এই নগণ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী এবং চরম বিপর্যয়কর ফলাফল নিয়ে স্থানীয় সচেতন মহলে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ১৬ জন শিক্ষক থাকার পরেও কেন পাসের হার এত নিচে, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে।
এই বিষয়ে মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কথা বলতে রাজি না হলেও উপজেলা প্রশাসন কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে। কালকিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফ উল আরেফিন জানিয়েছেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে এবং দায়িত্ব পালনে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রিপোর্টারের নাম 


















