খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে তিল ধারণের ঠাঁই নেই। মাত্র ৪৮ শয্যার এই ওয়ার্ডে বর্তমানে ১৬৭ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে, যা নির্ধারিত ধারণক্ষমতার তিন গুণেরও বেশি। ফলে শয্যা না পেয়ে নিরুপায় হয়ে মেঝে, বারান্দা এমনকি সিঁড়ির গোড়ায় মাদুর পেতে শিশুদের চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, রোগীদের উপচে পড়া ভিড়ে চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন ডাক্তার ও নার্সরা। রাতে মাত্র তিনজন নার্সকে প্রায় দেড় শতাধিক শিশুর দেখাশোনা করতে হচ্ছে, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানের মানদণ্ড অনুযায়ী অসম্ভব। অক্সিজেন সিলিন্ডার সংকটের কারণে অনেক ক্ষেত্রে একাধিক রোগীর মধ্যে অক্সিজেন ভাগাভাগি করতে হচ্ছে বলে জানা গেছে। অভিভাবকদের অভিযোগ, অতিরিক্ত রোগীর চাপে সেবার মান ব্যাহত হচ্ছে এবং অনেক ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সেবা পেতে বেগ পেতে হচ্ছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রতিদিন গড়ে ৬০ থেকে ৭০ জন নতুন রোগী ভর্তি হওয়ায় পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত পৃথক আরও একটি শিশু বিভাগ চালু করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। বর্তমানে হাসপাতালের এই নাজুক অবস্থা নিরসনে সরকারি বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।
রিপোর্টারের নাম 





















