মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১০:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

মালয়েশিয়া থেকে ৫ হাজার শরণার্থী, যাদের মধ্যে রোহিঙ্গাও রয়েছে, ফেরাতে সম্মত হয়েছে মিয়ানমার

মালয়েশিয়ায় আশ্রয় নেওয়া পাঁচ হাজার শরণার্থীকে ফেরত নিতে মিয়ানমারের সরকার সম্মতি জানিয়েছে বলে জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহামাদ হাসান। এই শরণার্থীদের মধ্যে রোহিঙ্গারাও রয়েছেন।

রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বারনামার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তিন মং সুয়ের সঙ্গে সাম্প্রতিক বৈঠকে এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন মোহামাদ হাসান। সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “আমি যখন মিয়ানমারের নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করি, তারা জাহাজে করে এই ৫ হাজার শরণার্থীকে ফিরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে। তবে মূল বিষয় হলো, এই ৫ হাজার মানুষের নিরাপত্তা।”

মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, মিয়ানমারের শরণার্থী সংকটকে শুধু রোহিঙ্গা ইস্যু হিসেবে দেখা উচিত নয়। দেশটির চিন ও কারেনসহ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর অনেক মানুষও সংঘাত ও সহিংসতার কারণে শরণার্থীতে পরিণত হয়েছেন।

এর আগে গত জুলাইয়ের শেষ দিকে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম জানিয়েছিলেন, দ্বিপক্ষীয় আলোচনার পর মালয়েশিয়ায় বসবাসরত প্রাথমিক ৫ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থীকে ফেরত নিতে সম্মত হয়েছে মিয়ানমার।

মিয়ানমারের প্রধানত মুসলিম সংখ্যালঘু রোহিঙ্গারা দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্য, নিপীড়ন ও রাষ্ট্রহীনতার শিকার। ২০১৭ সালে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী ও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সহিংস অভিযানের পর কয়েক লাখ রোহিঙ্গা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়। তাদের মধ্যে ১৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। বিপজ্জনক সমুদ্রযাত্রার মাধ্যমে আরও অনেকে ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষক নিয়োগে ম্যানেজিং কমিটির ক্ষমতা: চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

মালয়েশিয়া থেকে ৫ হাজার শরণার্থী, যাদের মধ্যে রোহিঙ্গাও রয়েছে, ফেরাতে সম্মত হয়েছে মিয়ানমার

আপডেট সময় : ০৯:০৫:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

মালয়েশিয়ায় আশ্রয় নেওয়া পাঁচ হাজার শরণার্থীকে ফেরত নিতে মিয়ানমারের সরকার সম্মতি জানিয়েছে বলে জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহামাদ হাসান। এই শরণার্থীদের মধ্যে রোহিঙ্গারাও রয়েছেন।

রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা বারনামার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তিন মং সুয়ের সঙ্গে সাম্প্রতিক বৈঠকে এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন মোহামাদ হাসান। সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “আমি যখন মিয়ানমারের নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করি, তারা জাহাজে করে এই ৫ হাজার শরণার্থীকে ফিরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে। তবে মূল বিষয় হলো, এই ৫ হাজার মানুষের নিরাপত্তা।”

মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, মিয়ানমারের শরণার্থী সংকটকে শুধু রোহিঙ্গা ইস্যু হিসেবে দেখা উচিত নয়। দেশটির চিন ও কারেনসহ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর অনেক মানুষও সংঘাত ও সহিংসতার কারণে শরণার্থীতে পরিণত হয়েছেন।

এর আগে গত জুলাইয়ের শেষ দিকে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম জানিয়েছিলেন, দ্বিপক্ষীয় আলোচনার পর মালয়েশিয়ায় বসবাসরত প্রাথমিক ৫ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থীকে ফেরত নিতে সম্মত হয়েছে মিয়ানমার।

মিয়ানমারের প্রধানত মুসলিম সংখ্যালঘু রোহিঙ্গারা দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্য, নিপীড়ন ও রাষ্ট্রহীনতার শিকার। ২০১৭ সালে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী ও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সহিংস অভিযানের পর কয়েক লাখ রোহিঙ্গা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়। তাদের মধ্যে ১৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। বিপজ্জনক সমুদ্রযাত্রার মাধ্যমে আরও অনেকে ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছেন।