দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত ‘১৬তম ই-আইকম ওয়ার্ল্ড কনটেস্টে’ মাধ্যমিক ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের টিম ‘অরূপ-বিট’। গত ৭ আগস্ট অনুষ্ঠিত চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় দক্ষিণ কোরিয়ার তিনটি বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং স্যামসাংয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিচারিক শ্রেষ্ঠত্বে এই অভাবনীয় সাফল্য এসেছে। কলেজের আইসিটি বিভাগের প্রভাষক সৈয়দ মাহবুব হাসান আমিরী শিক্ষক হিসেবে এবং দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. শফিউল আলম সিদ্দিকী শ্রেষ্ঠ ও এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থী অরণ্য আবীর খান প্রাপ্য এই কৃতিত্বের অংশীদার।
গত রোববার কলেজের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, এই প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ৩৭টি দেশের ২৪২টি প্রজেক্ট জমা পড়েছিল, যার মধ্যে মাত্র ১০টি প্রজেক্ট ফাইনালের জন্য নির্বাচিত হয়েছিল। এই নির্বাচিত প্রজেক্টগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, রুয়ান্ডা, মলদোভা, উজবেকিস্তান ও থাইল্যান্ডের প্রজেক্ট অন্তর্ভুক্ত ছিল। প্রতিযোগিতার মূল বিষয়বস্তু ছিল এসডিজি-৩ (সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ) বাস্তবায়নে ওয়েব অ্যাপ তৈরি করা।
প্রতিযোগিতাটি দুটি ধাপে অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম ধাপে, গত ১ থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশ দল কোরিয়া দলের সঙ্গে অনলাইনে কোলাবরেশন করে। দ্বিতীয় ধাপে, গত ২ থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা সরাসরি দক্ষিণ কোরিয়ায় গমন করে তাদের প্রকল্প উপস্থাপন করে। একজন শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে শিক্ষার্থীরা ওয়েব অ্যাপের পরিকল্পনা ও তৈরি করে তা উপস্থাপন করে। উপস্থাপনার বিভিন্ন ধাপের মধ্যে ছিল পোস্টার ডিজাইন, প্রেজেন্টেশন, ভিডিও এবং সর্বশেষ ব্যবহারিক উপস্থাপনা।
‘অরূপ-বিট’ টিমের ওয়েব অ্যাপটির নাম ‘লাইট হাউজ’, যা এসডিজি-৩ বাস্তবায়নে শিক্ষার্থীদের স্ক্রিন টাইম কমিয়ে আনা এবং তাদের মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। অ্যাপটি এসডিজি-৩ এর ৩.৪ এবং ৩.ডি ধারা বাস্তবায়নে কাজ করবে। বর্তমানে ‘লাইট হাউজ’ অ্যাপটি অরুপবিট ডট কমে পাওয়া যাচ্ছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, এই ওয়েব অ্যাপের সাথে একটি এআই হার্ডওয়্যার ব্যবহার করা হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত লোড নেওয়া থেকে বিরত রাখে এবং তাদের স্ক্রিন থেকে দূরে থাকতে সহায়তা করে।
রিপোর্টারের নাম 




















