বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, ভারত যদি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বন্ধু হয়, তবে কেন তারা বাংলাদেশের ‘বড় কিলার’কে আশ্রয় দিয়েছে? কূটনৈতিক শিষ্টাচার এবং দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক সম্পর্ককে উপেক্ষা করে তাকে বক্তব্য রাখার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
রোববার (আজ) রাজধানীর ইস্কাটনে শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান – ন্যায়বিচার, মেধার মূল্যায়ন ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, কিছু মানুষ অপরাধ থেকে বাঁচতে পালিয়ে যায়। আজকে যারা পালিয়ে গেছে, তারা উঁকি-ঝুঁকি দিচ্ছে এবং মাঝে মাঝে গল্প শোনাচ্ছে যে তারা আবার ফিরে আসবে। তিনি বলেন, যে মানুষ প্রতিদিন বলে আমি আত্মহত্যা করব, সে জীবনেও আত্মহত্যা করে না। আর যে বীর যুদ্ধের ময়দানে লড়ে যায়, সে নিজেকে বীর যোদ্ধা বলে ঘোষণা দেয় না, বরং জাতি তাকে বীরযোদ্ধা বলে আখ্যায়িত করে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের ভাব এমন যে, তারা মক্কা যেতে চেয়েছিল কিন্তু মস্কোয় নিয়ে আসা হয়েছে। তিনি (শেখ হাসিনা) বলেন, গোপালগঞ্জ যেতে চেয়েছিলাম, এখানে কেন নিয়ে আসা হলো। অথচ এখন সবকিছু বেরিয়ে আসছে যে, পাশের দেশে একাধিক ফোন গেছে এবং সেখানে আশ্রয় চাওয়া হয়েছে। তাহলে কি গোপালগঞ্জ যেতে ভারতের কাছে ফোন দিয়েছিলেন? জাতি এই তামাশা আর দেখতে চায় না, শুনতেও চায় না।
জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এদেশের ফ্যাসিবাদীদের বিদায় দেওয়া হয়েছে। আমরা নতুন কোনো ফ্যাসিবাদ দেখতে চাই না। তবে ফ্যাসিবাদ একটি ভাইরাস, যা ব্যক্তির ওপর ভর করে তাকে ফ্যাসিবাদী বানিয়ে ছাড়ে। যে কাজগুলো করার কারণে আমরা পূর্বের সরকারকে ফ্যাসিবাদী বলছি, আজকেও যদি একই কাজ করা হয়, তবে নিঃসন্দেহে তারাও ফ্যাসিবাদী। অন্যের সন্তান কোনো কাজ করলে তাকে সন্ত্রাসী বললে, নিজের সন্তান একই কাজ করলে তাকেও সন্ত্রাসী বলতে হবে।
জামায়াত আমির বলেন, জুলাই আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল সব ভেদাভেদ ও বৈষম্য দূর করে ঐক্যবদ্ধ একটি জাতি গঠন করা।
রিপোর্টারের নাম 



















