রাজধানী ঢাকায় বাংলাদেশ ডায়াবেটিস সমিতি (বাডাস) ও ডায়াবেটিস ইন এশিয়া স্টাডি গ্রুপ (ডিএএসজি) যৌথভাবে দুই দিনব্যাপী এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করেছে। এই সম্মেলনকে ঘিরে রাজধানীর শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন হল দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, নার্স ও সংগঠকদের মিলনমেলায় পরিণত হয়।
সম্মেলনের প্রথম দিনের কার্যক্রম শুরু হয় বাডাসের সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খানের সভাপতিত্বে ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গ্লোবাল ডায়াবেটিস কমপ্যাক্টের মাধ্যমে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ’ বিষয়ক সেশনের মধ্য দিয়ে। দ্বিতীয় দিনের শুরুর সেশনে সভাপতিত্ব করেন প্রফেসর এম এ সামাদ ও প্রফেসর এস এম আশরাফুজ্জামান। টানা দুই দিন ধরে বিভিন্ন সেশনে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ডায়াবেটিস-সংক্রান্ত নানা বিষয়ে আলোচনা, পরামর্শ ও বিশ্লেষণ তুলে ধরেন।
সম্মেলনে উল্লেখযোগ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ব ডায়াবেটিস ফেডারেশনের সভাপতি প্রফেসর পিটার শোয়ার্জ, বাংলাদেশের জাতীয় অধ্যাপক এ কে আজাদ খান, ডিএএসজির সভাপতি প্রফেসর আব্দুল বাসিত, সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর বিশ্বজিৎ ভৌমিক, ডা. অমিত কুমার রায়, ডা. বানশি সাবু, ডা. অমিত গুপ্ত, ডা. মনোজ চাওলা, প্রফেসর নিহাল জ্যাকব থমাস, ডা. দিনেশ আগারওয়াল, প্রফেসর শাবিন নাজ মাসুদ, প্রফেসর ফারুক পাঠানসহ আরও অনেকে।
মূলত ডায়াবেটিস প্রতিরোধ, সচেতনতা বৃদ্ধি, চিকিৎসাসেবার মান উন্নয়ন এবং তা তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই প্রতি বছর আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করে থাকে বাডাস। তবে এবারই প্রথমবারের মতো বাডাসের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ডিএএসজি।
ডিএএসজির সাধারণ সম্পাদক ও আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব প্রফেসর বিশ্বজিৎ ভৌমিক জানান, সারা দেশের বাডাসের অ্যাফিলিয়েটেড সদস্যরা এই সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন। বাডাসের সদস্যদের মধ্যে ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এ ধরনের সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। তিনি বলেন, ডায়াবেটিস বিষয়ে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের আলোচনা, গবেষণা, বিশ্লেষণ ও পরামর্শ অনেক কাজে দেয়। ভবিষ্যতেও এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
রিপোর্টারের নাম 

























