মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৭:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬

বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর: টেকসই ব্যবস্থাপনা ও অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টির আহ্বান

বর্জ্যকে আর সমাজের জন্য বোঝা হিসেবে না দেখে, এটিকে বাংলাদেশের জন্য সম্পদ, শক্তি এবং অর্থনৈতিক সুযোগে রূপান্তরের উপর জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেছেন, বাংলাদেশের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজন সমন্বিত, সাশ্রয়ী এবং স্থানীয়ভাবে পরিচালনাযোগ্য সমাধান।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) আয়োজিত এক সেমিনারে বক্তারা বলেন, বর্তমানে দেশের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা মূলত সংগ্রহ, পরিবহন এবং নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। এর ফলে বর্জ্যের পুনর্ব্যবহার, সম্পদ পুনরুদ্ধার এবং জ্বালানি উৎপাদনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সুযোগগুলো কাজে লাগানো হচ্ছে না। উন্মুক্ত স্থানে, জলাভূমি ও নদীতে বর্জ্য ফেলার কারণে পরিবেশ দূষণ, নদী ভরাট, জলাবদ্ধতা, বায়ুদূষণ এবং জনস্বাস্থ্যঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। একই সঙ্গে মূল্যবান নগরভূমির অপচয়, ব্যবস্থাপনার ব্যয় বৃদ্ধি এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য উপকরণ, জ্বালানি ও সম্ভাব্য রাজস্ব হারানোর মতো অর্থনৈতিক ক্ষতিও হচ্ছে।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ ড. নাসির উদ্দীন খান বলেন, সহজ প্রযুক্তিতে, দেশীয় বিনিয়োগ এবং স্থানীয় জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা সম্ভব। এর মাধ্যমে বর্জ্যকে পুনর্ব্যবহারযোগ্য সম্পদ, জ্বালানি এবং অর্থনৈতিক সুযোগে রূপান্তরিত করে বাংলাদেশের চলমান গ্যাস ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায়ও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা যেতে পারে। সেমিনারে বক্তারা পরিবেশের সঙ্গে সম্পৃক্ত সকল সংস্থার মধ্যে সমন্বয় সাধনের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর কাছে হেফাজতে ইসলামের ৯ দফা দাবি: বিগত সরকারের আমলের হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়েছেন

বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর: টেকসই ব্যবস্থাপনা ও অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টির আহ্বান

আপডেট সময় : ০৬:০৭:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

বর্জ্যকে আর সমাজের জন্য বোঝা হিসেবে না দেখে, এটিকে বাংলাদেশের জন্য সম্পদ, শক্তি এবং অর্থনৈতিক সুযোগে রূপান্তরের উপর জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেছেন, বাংলাদেশের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজন সমন্বিত, সাশ্রয়ী এবং স্থানীয়ভাবে পরিচালনাযোগ্য সমাধান।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) আয়োজিত এক সেমিনারে বক্তারা বলেন, বর্তমানে দেশের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা মূলত সংগ্রহ, পরিবহন এবং নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। এর ফলে বর্জ্যের পুনর্ব্যবহার, সম্পদ পুনরুদ্ধার এবং জ্বালানি উৎপাদনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সুযোগগুলো কাজে লাগানো হচ্ছে না। উন্মুক্ত স্থানে, জলাভূমি ও নদীতে বর্জ্য ফেলার কারণে পরিবেশ দূষণ, নদী ভরাট, জলাবদ্ধতা, বায়ুদূষণ এবং জনস্বাস্থ্যঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। একই সঙ্গে মূল্যবান নগরভূমির অপচয়, ব্যবস্থাপনার ব্যয় বৃদ্ধি এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য উপকরণ, জ্বালানি ও সম্ভাব্য রাজস্ব হারানোর মতো অর্থনৈতিক ক্ষতিও হচ্ছে।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ ড. নাসির উদ্দীন খান বলেন, সহজ প্রযুক্তিতে, দেশীয় বিনিয়োগ এবং স্থানীয় জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা সম্ভব। এর মাধ্যমে বর্জ্যকে পুনর্ব্যবহারযোগ্য সম্পদ, জ্বালানি এবং অর্থনৈতিক সুযোগে রূপান্তরিত করে বাংলাদেশের চলমান গ্যাস ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায়ও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা যেতে পারে। সেমিনারে বক্তারা পরিবেশের সঙ্গে সম্পৃক্ত সকল সংস্থার মধ্যে সমন্বয় সাধনের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।