বর্তমান সরকার বিরোধী ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানো ও আওয়ামী লীগের রাজনীতি পুনর্বাসনের লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক গোপন তৎপরতা চালাচ্ছেন বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। তাদের এই কার্যক্রমকে শিক্ষাঙ্গনকে অস্থিতিশীল করে ফায়দা হাসিলের প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে এবং এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে উদ্বেগ ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে অন্তত পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, জুলাই বিপ্লবের বিরুদ্ধে এবং গণহত্যার পক্ষে অবস্থান নেওয়া এই শিক্ষকরা বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের সময়ে নতুন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন অনেকে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশের ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৪০৪ জন শিক্ষক ‘বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ’ নামে একটি এনক্রিপ্টেড সিক্রেট টেলিগ্রাম গ্রুপের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে গোপনে কাজ করে যাচ্ছেন। তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিশৃঙ্খলা তৈরির নির্দেশনা দিচ্ছেন। সাবেক ভিসি ও বিভাগের শীর্ষ পদে থাকা এই শিক্ষকরা ‘সিস্টেম আপডেট’ ও ‘মাহেন্দ্রক্ষণ সন্নিকটে’র মতো সংকেত ব্যবহার করে নিয়মিত ভার্চুয়াল গোপন সভা করছেন। এসব সভার স্ক্রিনশট ও তথ্য ইতোমধ্যে পুলিশ সদর দপ্তরের হাতে পৌঁছেছে বলে জানা গেছে।
যদিও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, সার্বিকভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং মতিঝিল ও আশুলিয়ায় বোমা উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তদন্ত চলছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে, ফ্যাসিবাদের দোসর শিক্ষকদের এই নতুন তৎপরতা বন্ধে সরকারের কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন উপাচার্য ও শিক্ষক নেতারা।
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম বলেছেন, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষক এই ষড়যন্ত্রে জড়িত বলে তথ্য পাওয়া গেছে।
রিপোর্টারের নাম 



















