প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দৃঢ়ভাবে জানিয়েছেন যে, ইরানের ভবিষ্যৎ কোনো বাইরের শক্তি নয়, বরং দেশের জনগণই নির্ধারণ করবেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের অব্যাহত সংঘাত, চাপ ও প্রতিকূলতার মধ্যেও অটল ধৈর্য ও সাহসিকতার পরিচয় দেওয়ায় ইরানি জনগণকে ‘বীর’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান উল্লেখ করেন যে, যুদ্ধ, অর্থনৈতিক চাপ ও ধারাবাহিক বৈরী পরিস্থিতির মধ্যেও ইরানের জনগণ নিজেদের দেশের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন ও দৃঢ়তা বজায় রেখেছেন।
সংঘাতের পটভূমি তুলে ধরে পেজেশকিয়ান বলেন, ২০২৪ সালের ৩১ জুলাই তেহরানে হামাসের রাজনৈতিক প্রধান ইসমাইল হানিয়ার ওপর চালানো হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে মূলত বর্তমান চরম উত্তেজনার সূত্রপাত ঘটেছিল। উল্লেখ্য, ওই সময় পেজেশকিয়ানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে তেহরানে অবস্থান করছিলেন হানিয়া।
ইরানি প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, সেই মর্মান্তিক ঘটনার পর থেকে ইরান একের পর এক প্রকাশ্য যুদ্ধ, কঠোর সামাজিক-অর্থনৈতিক চাপ এবং শত্রুপক্ষের অবিরাম শত্রুতার মুখোমুখি হয়েছে। তবে সমস্ত প্রতিকূলতাকে উপড়ে ফেলে দেশের পাশে শক্ত প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছেন দেশের সাধারণ মানুষ। তিনি আবারও স্পষ্ট করে বলেন, ‘ইরানের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা অন্য কোনো শক্তি নয়—ইরানের জনগণই গড়ে তুলবেন।’
রিপোর্টারের নাম 






















