বিগত সরকারের আমলে রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের জাতীয় সংলাপে দেশের সার্বিক উন্নয়নের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে চক্ষুস্বাস্থ্যকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল। একই অনুষ্ঠানে বরিশাল বিভাগের পাঁচটি জেলায় প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্ব কমানো এবং টেকসই চক্ষুস্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘বরিশাল ভিশন ২০৩০’ উদ্যোগের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
দ্য ফ্রেড হলোজ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ আয়োজিত “চক্ষুস্বাস্থ্য: স্বাস্থ্যখাতের গণ্ডি পেরিয়ে—অংশীদারিত্ব, প্রমাণভিত্তিক উদ্যোগ ও উদ্ভাবনের কার্যকর প্রয়োগ” শীর্ষক এই জাতীয় সংলাপে সাবেক সরকার, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা, শিক্ষাবিদ, পেশাজীবী সংগঠন, নাগরিক সমাজ এবং বেসরকারি খাতের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেসময়ের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম. এ. মুহিত।
সংলাপে বক্তারা বলেন, সবার জন্য মানসম্মত ও সর্বজনীন চক্ষুস্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে শক্তিশালী অংশীদারিত্ব, প্রমাণভিত্তিক কর্মসূচি এবং উদ্ভাবনী উদ্যোগের বিকল্প নেই। তারা চক্ষুস্বাস্থ্যকে শুধু স্বাস্থ্যসেবার একটি বিষয় নয়, বরং শিক্ষা, কর্মসংস্থান, উৎপাদনশীলতা, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি এবং জাতীয় উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
দ্য ফ্রেড হলোজ ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রস পাইপারের বাংলাদেশ সফর উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ‘বরিশাল ভিশন ২০৩০’ উদ্যোগের উদ্বোধন করা হয়। এ উদ্যোগের মাধ্যমে বরিশাল বিভাগের পাঁচটি জেলায় ছানি রোগের জমে থাকা অস্ত্রোপচারের চাহিদা পূরণ, প্রতিরোধযোগ্য অন্ধত্ব হ্রাস এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই চক্ষুস্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
আয়োজকদের মতে, সাবেক সরকার, উন্নয়ন সহযোগী, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কাছে চক্ষুস্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার একটি কার্যকর মডেল হিসেবে কাজ করবে ‘বরিশাল ভিশন ২০৩০’।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেসময়ের প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম. এ. মুহিত বলেন, দৃষ্টিশক্তি মানুষের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদগুলোর একটি। এটি মানুষের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে, প্রবীণদের স্বাধীনভাবে জীবনযাপনে সহায়তা করে এবং পরিবারকে সমৃদ্ধ হতে ভূমিকা রাখে। অথচ এখনও লাখো মানুষ প্রতিরোধযোগ্য দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ভোগান্তিতে রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
























