টুথপেস্ট বা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে মাইক্রোপ্লাস্টিক কিংবা ক্ষতিকর উপাদানের উপস্থিতি নিয়ে বেসরকারি সংস্থাগুলোর গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশের ক্ষেত্রে একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা বা আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো। বৃহস্পতিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বিএসটিআই প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক গণশুনানিতে শিল্প উদ্যোক্তারা এই দাবি তোলেন।
বক্তারা বলেন, জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট যেকোনো গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তবে প্রতিবেদন প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাকে অবহিত করা এবং তথ্য যাচাইয়ের সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন। যথাযথ যাচাই ছাড়া তথ্য প্রকাশ করলে জনমনে অহেতুক আতঙ্ক সৃষ্টি হতে পারে, যা শিল্প খাতের জন্য ক্ষতিকর। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হক।
গণশুনানিতে স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ, নেসলে বাংলাদেশ, ইউনিলিভার এবং মেঘনা গ্রুপসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তারা বিএসটিআইয়ের সেবার মানোন্নয়ন ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরেন। বিএসটিআই মহাপরিচালক আশ্বস্ত করেন যে, তারা প্রতিটি গবেষণাকে গুরুত্বের সাথে দেখেন এবং একটি ভারসাম্যপূর্ণ নীতিমালা প্রণয়নে কাজ করবেন।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে সভায় বক্তারা আরও বলেন, মানসম্পন্ন গবেষণা জাতিকে সঠিক দিক-নির্দেশনা দেয়। তবে টুথপেস্টের মতো সংবেদনশীল পণ্য নিয়ে গবেষণার ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক মানদণ্ড বজায় রাখা এবং শিল্পের স্থিতিশীলতা রক্ষা করা সমানভাবে জরুরি।
রিপোর্টারের নাম 






















