গাজা যুদ্ধের পর থেকে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীতে আত্মহত্যার ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। চলতি ২০২৬ সালের প্রথম দিক থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৬ জন সেনাসদস্য আত্মহনন করেছেন, যার মধ্যে সম্প্রতি দুই নারী সেনাসদস্যের মৃত্যুর ঘটনা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সম্প্রতি প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, সর্বশেষ গত সপ্তাহে দুই নারী সেনাসদস্যের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে একজন মিসর-ইসরাইল সীমান্তে মোতায়েন বারদেলাস ব্যাটালিয়নের সদস্য ছিলেন, যিনি দক্ষিণ ইসরাইলের একটি সামরিক ঘাঁটিতে আত্মহত্যা করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।
এর আগে, মধ্য ইসরাইলের রামাত হাশারনের কাছে গ্লিলট সামরিক ঘাঁটিতে ইসরাইলের সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের এক নারী সদস্যও আত্মহনন করেন। তিনি একটি গোপনীয় দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। ঘটনা দুটির কারণ অনুসন্ধানে ইসরাইলি সামরিক পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
সংগৃহীত তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে কর্মরত ১৬ জন ইসরাইলি সেনাসদস্য আত্মহত্যা করেছেন। এছাড়া গাজা যুদ্ধে অংশ নেওয়া নিয়মিত ও রিজার্ভ বাহিনীর আরও ৯ জন সদস্য দায়িত্বের বাইরে থাকা অবস্থায় আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা যায়।
এর আগে জানা গিয়েছিল, ২০২৫ সালে আত্মহত্যায় ২২ জন কর্মরত ইসরাইলি সেনাসদস্যের মৃত্যু হয়, যা বিগত ১৫ বছরের মধ্যে ইসরাইলি সেনাবাহিনীতে এক বছরে আত্মহত্যার সংখ্যা সর্বোচ্চ ছিল। সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোকে কেন্দ্র করে গাজা যুদ্ধের দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ এবং সেনাসদস্যদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে আত্মহত্যার এসব ঘটনার সঙ্গে যুদ্ধজনিত চাপের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি না, সে বিষয়ে ইসরাইলি সেনাবাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
রিপোর্টারের নাম 
























