ঢাকা ০৩:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

৩৬ বছর ধরে পত্রিকা বিলি: কাপ্তাইয়ের মোহাম্মদ হোসেনের জীবনসংগ্রামের গল্প

রাঙামাটির কাপ্তাই, রাজস্থলী এবং চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া এলাকার পাঠকদের কাছে অত্যন্ত পরিচিত মুখ মোহাম্মদ হোসেন। দীর্ঘ ৩৬ বছর ধরে রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে সাইকেলে চড়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে সংবাদপত্র পৌঁছে দিচ্ছেন তিনি। জীবনের পড়ন্ত বেলায় এসেও আর্থিক স্বচ্ছলতা না ফিরলেও পেশার প্রতি অদম্য ভালোবাসা তাকে প্রতিদিন ভোরে পথে নামায়।

কাপ্তাইয়ের চন্দ্রঘোনা লিচুবাগান এলাকায় একটি ছোট্ট দোকানের বারান্দা থেকে তার কার্যক্রম পরিচালিত হয়। একসময় দৈনিক হাজারখানেক পত্রিকা বিক্রি করলেও ডিজিটাল যুগের প্রভাবে বর্তমানে তা তিনশতে নেমে এসেছে। তবুও পুরোনো সাইকেলটি নিয়ে তিনি নিয়মিত ছুটে যান কেপিএম, রেশমবাগান, মিশন হাসপাতালসহ বিভিন্ন এলাকায়।

মোহাম্মদ হোসেনের ভাষায়, পত্রিকা বিক্রি এখন কেবল তার জীবিকা নয়, এটি একটি নেশায় পরিণত হয়েছে। তার সন্তানরা এই পেশায় আগ্রহী না হলেও তিনি আমৃত্যু এই কাজের সঙ্গেই থাকতে চান। স্থানীয় সাংবাদিক ও পাঠকদের কাছে তিনি একজন নিষ্ঠাবান এবং দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে স্বীকৃত। কাপ্তাই ও রাঙ্গুনিয়া প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ তার এই দীর্ঘ নিরবচ্ছিন্ন সেবার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির পরোয়ানা গায়েব: বিচারিক প্রক্রিয়ায় অনিয়ম নাকি ঘুষের লেনদেন?

৩৬ বছর ধরে পত্রিকা বিলি: কাপ্তাইয়ের মোহাম্মদ হোসেনের জীবনসংগ্রামের গল্প

আপডেট সময় : ০১:২১:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

রাঙামাটির কাপ্তাই, রাজস্থলী এবং চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া এলাকার পাঠকদের কাছে অত্যন্ত পরিচিত মুখ মোহাম্মদ হোসেন। দীর্ঘ ৩৬ বছর ধরে রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে সাইকেলে চড়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে সংবাদপত্র পৌঁছে দিচ্ছেন তিনি। জীবনের পড়ন্ত বেলায় এসেও আর্থিক স্বচ্ছলতা না ফিরলেও পেশার প্রতি অদম্য ভালোবাসা তাকে প্রতিদিন ভোরে পথে নামায়।

কাপ্তাইয়ের চন্দ্রঘোনা লিচুবাগান এলাকায় একটি ছোট্ট দোকানের বারান্দা থেকে তার কার্যক্রম পরিচালিত হয়। একসময় দৈনিক হাজারখানেক পত্রিকা বিক্রি করলেও ডিজিটাল যুগের প্রভাবে বর্তমানে তা তিনশতে নেমে এসেছে। তবুও পুরোনো সাইকেলটি নিয়ে তিনি নিয়মিত ছুটে যান কেপিএম, রেশমবাগান, মিশন হাসপাতালসহ বিভিন্ন এলাকায়।

মোহাম্মদ হোসেনের ভাষায়, পত্রিকা বিক্রি এখন কেবল তার জীবিকা নয়, এটি একটি নেশায় পরিণত হয়েছে। তার সন্তানরা এই পেশায় আগ্রহী না হলেও তিনি আমৃত্যু এই কাজের সঙ্গেই থাকতে চান। স্থানীয় সাংবাদিক ও পাঠকদের কাছে তিনি একজন নিষ্ঠাবান এবং দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে স্বীকৃত। কাপ্তাই ও রাঙ্গুনিয়া প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ তার এই দীর্ঘ নিরবচ্ছিন্ন সেবার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।