ঢাকা ০৪:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

শামীম ওসমানের ক্যাডারদের গুলিতে চোখের সামনেই ঝরল দুই প্রাণ: ট্রাইব্যুনালে সাক্ষীর জবানবন্দি

নারায়ণগঞ্জে জুলাই বিপ্লবের সময় দশজনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন যুবদল নেতা এনআরবি মামুন। মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ দ্বিতীয় সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন তিনি। জবানবন্দিতে তিনি গত ১৯ জুলাই জালকুড়ি এলাকায় আওয়ামী লীগ ক্যাডারদের সশস্ত্র হামলার লোমহর্ষক বর্ণনা দেন।

সাক্ষী মামুন জানান, ১৯ জুলাই বিকেলে শামীম ওসমান, তার ছেলে অয়ন ওসমান এবং ভাতিজা আজমেরী ওসমানের নেতৃত্বে প্রায় একশ সশস্ত্র ব্যক্তি আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালায়। সে সময় তার পাশেই থাকা আদিল ও ইয়াসিন নামে দুই তরুণ গুলিতে প্রাণ হারান। মামুন নিজেও সে সময় রাবার বুলেটে আহত হয়েছিলেন। তিনি দাবি করেন, শামীম ওসমানের নির্দেশে তার ক্যাডার বাহিনী সরাসরি গুলি চালিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।

মামুন আরও উল্লেখ করেন, ২১ জুলাই এবং ৫ আগস্টেও শামীম ওসমানের নেতৃত্বে একাধিকবার হামলা চালানো হয়। এসব হামলায় দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। ট্রাইব্যুনালে দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি তৎকালীন প্রভাবশালী এই রাজনৈতিক পরিবারের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলে ধরেন। মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির পরোয়ানা গায়েব: বিচারিক প্রক্রিয়ায় অনিয়ম নাকি ঘুষের লেনদেন?

শামীম ওসমানের ক্যাডারদের গুলিতে চোখের সামনেই ঝরল দুই প্রাণ: ট্রাইব্যুনালে সাক্ষীর জবানবন্দি

আপডেট সময় : ০২:২৪:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

নারায়ণগঞ্জে জুলাই বিপ্লবের সময় দশজনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন যুবদল নেতা এনআরবি মামুন। মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ দ্বিতীয় সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন তিনি। জবানবন্দিতে তিনি গত ১৯ জুলাই জালকুড়ি এলাকায় আওয়ামী লীগ ক্যাডারদের সশস্ত্র হামলার লোমহর্ষক বর্ণনা দেন।

সাক্ষী মামুন জানান, ১৯ জুলাই বিকেলে শামীম ওসমান, তার ছেলে অয়ন ওসমান এবং ভাতিজা আজমেরী ওসমানের নেতৃত্বে প্রায় একশ সশস্ত্র ব্যক্তি আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালায়। সে সময় তার পাশেই থাকা আদিল ও ইয়াসিন নামে দুই তরুণ গুলিতে প্রাণ হারান। মামুন নিজেও সে সময় রাবার বুলেটে আহত হয়েছিলেন। তিনি দাবি করেন, শামীম ওসমানের নির্দেশে তার ক্যাডার বাহিনী সরাসরি গুলি চালিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।

মামুন আরও উল্লেখ করেন, ২১ জুলাই এবং ৫ আগস্টেও শামীম ওসমানের নেতৃত্বে একাধিকবার হামলা চালানো হয়। এসব হামলায় দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। ট্রাইব্যুনালে দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি তৎকালীন প্রভাবশালী এই রাজনৈতিক পরিবারের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলে ধরেন। মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।