ঢাকা ০৩:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

অদম্য ইচ্ছাশক্তির প্রতীক হেলেন কেলার: আঁধার জয় করা এক বিস্ময়কর জীবন

দৃষ্টি, বাক ও শ্রবণশক্তি হারিয়েও যিনি বিশ্বজয়ের অদম্য সাহস দেখিয়েছিলেন, তিনি হলেন হেলেন অ্যাডামস কেলার। ১৮৮০ সালের ২৭ জুন আমেরিকার আলাবামায় জন্ম নেওয়া এই মহীয়সী নারী মাত্র ১৯ মাস বয়সে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার কারণে নিজের দেখার, শোনার ও কথা বলার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন। তবে শারীরিক এই প্রতিবন্ধকতা তার এগিয়ে যাওয়ার পথে বাধা হতে পারেনি।

হেলেন কেলারের শিক্ষাজীবনের শুরু হয় গৃহশিক্ষিকা অ্যানি সুলিভানের হাত ধরে। অ্যানি নিজেও ছিলেন একজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। তিনি ব্রেইল পদ্ধতি ও হাতের স্পর্শের মাধ্যমে হেলেনকে বর্ণমালা শেখান। ১৯০৪ সালে রেডক্লিফ কলেজ থেকে প্রথম দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হিসেবে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন হেলেন। তার সংগ্রামী জীবনের গল্প নিয়ে লেখা আত্মজীবনী ‘দ্য স্টোরি অব মাই লাইফ’ বিশ্বজুড়ে ব্যাপক পাঠকপ্রিয়তা পায়।

সমাজসেবা ও রাজনীতিতেও হেলেন কেলার ছিলেন অনন্য। ১৯১৫ সালে তিনি ‘হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনাল’ প্রতিষ্ঠা করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুদ্ধাহত সৈনিকদের সাহস জোগাতে তিনি বিভিন্ন হাসপাতাল পরিদর্শন করতেন। ১৯০৯ সালে তিনি আমেরিকান সোশ্যালিস্ট পার্টিতে যোগ দেন এবং সমাজব্যবস্থার বৈষম্য দূর করতে আজীবন কাজ করে গেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাবির নতুন কোষাধ্যক্ষ হিসেবে অধ্যাপক সোহেল রানার দায়িত্ব গ্রহণ; ফুলেল শুভেচ্ছা জানাতে নিষেধ

অদম্য ইচ্ছাশক্তির প্রতীক হেলেন কেলার: আঁধার জয় করা এক বিস্ময়কর জীবন

আপডেট সময় : ০১:১৬:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

দৃষ্টি, বাক ও শ্রবণশক্তি হারিয়েও যিনি বিশ্বজয়ের অদম্য সাহস দেখিয়েছিলেন, তিনি হলেন হেলেন অ্যাডামস কেলার। ১৮৮০ সালের ২৭ জুন আমেরিকার আলাবামায় জন্ম নেওয়া এই মহীয়সী নারী মাত্র ১৯ মাস বয়সে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার কারণে নিজের দেখার, শোনার ও কথা বলার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন। তবে শারীরিক এই প্রতিবন্ধকতা তার এগিয়ে যাওয়ার পথে বাধা হতে পারেনি।

হেলেন কেলারের শিক্ষাজীবনের শুরু হয় গৃহশিক্ষিকা অ্যানি সুলিভানের হাত ধরে। অ্যানি নিজেও ছিলেন একজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। তিনি ব্রেইল পদ্ধতি ও হাতের স্পর্শের মাধ্যমে হেলেনকে বর্ণমালা শেখান। ১৯০৪ সালে রেডক্লিফ কলেজ থেকে প্রথম দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হিসেবে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন হেলেন। তার সংগ্রামী জীবনের গল্প নিয়ে লেখা আত্মজীবনী ‘দ্য স্টোরি অব মাই লাইফ’ বিশ্বজুড়ে ব্যাপক পাঠকপ্রিয়তা পায়।

সমাজসেবা ও রাজনীতিতেও হেলেন কেলার ছিলেন অনন্য। ১৯১৫ সালে তিনি ‘হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনাল’ প্রতিষ্ঠা করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুদ্ধাহত সৈনিকদের সাহস জোগাতে তিনি বিভিন্ন হাসপাতাল পরিদর্শন করতেন। ১৯০৯ সালে তিনি আমেরিকান সোশ্যালিস্ট পার্টিতে যোগ দেন এবং সমাজব্যবস্থার বৈষম্য দূর করতে আজীবন কাজ করে গেছেন।