ঢাকা ১২:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন প্রো-ভিসি নিয়োগ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৪:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

দীর্ঘ প্রায় ১২ বছর পর রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) নতুন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রো-ভিসি) নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেনকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব ড. সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের অনুমোদনক্রমে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৩-এর ২১(১) ধারা অনুযায়ী এই নিয়োগ কার্যকর হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর অথবা তার অবসরের নির্ধারিত তারিখ পর্যন্ত—যেটি আগে হবে—প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন। দায়িত্ব পালনকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন, বিধি ও সংবিধিবদ্ধ বিধান অনুযায়ী প্রো-ভাইস চ্যান্সেলরের ওপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন। জনস্বার্থে প্রয়োজন হলে রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য যে কোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন রুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের একজন জ্যেষ্ঠ শিক্ষক। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তার নিয়োগের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন। রুয়েটে সর্বশেষ প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের অধ্যাপক ড. মর্ত্তুজা আলী, যিনি ২০১০ সালের ১২ অক্টোবর নিয়োগ পেয়েছিলেন এবং ২০১৪ সালের ১১ অক্টোবর তার চার বছরের মেয়াদ শেষ হয়েছিল। এরপর প্রায় ১২ বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রো-ভিসির পদটি শূন্য ছিল। দীর্ঘ সময় পর নতুন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর নিয়োগের মাধ্যমে রুয়েটের প্রশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ শূন্যতা পূরণ হলো। বিশ্ববিদ্যালয়-সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, তার নেতৃত্বে শিক্ষা, গবেষণা, প্রশাসনিক সমন্বয় এবং চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গবভনে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, গার্ড অব অনার প্রদান

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন প্রো-ভিসি নিয়োগ

আপডেট সময় : ০৯:৫৪:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

দীর্ঘ প্রায় ১২ বছর পর রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) নতুন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রো-ভিসি) নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেনকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব ড. সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের অনুমোদনক্রমে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৩-এর ২১(১) ধারা অনুযায়ী এই নিয়োগ কার্যকর হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর অথবা তার অবসরের নির্ধারিত তারিখ পর্যন্ত—যেটি আগে হবে—প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন। দায়িত্ব পালনকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন, বিধি ও সংবিধিবদ্ধ বিধান অনুযায়ী প্রো-ভাইস চ্যান্সেলরের ওপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন। জনস্বার্থে প্রয়োজন হলে রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য যে কোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন রুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের একজন জ্যেষ্ঠ শিক্ষক। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তার নিয়োগের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন। রুয়েটে সর্বশেষ প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের অধ্যাপক ড. মর্ত্তুজা আলী, যিনি ২০১০ সালের ১২ অক্টোবর নিয়োগ পেয়েছিলেন এবং ২০১৪ সালের ১১ অক্টোবর তার চার বছরের মেয়াদ শেষ হয়েছিল। এরপর প্রায় ১২ বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রো-ভিসির পদটি শূন্য ছিল। দীর্ঘ সময় পর নতুন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর নিয়োগের মাধ্যমে রুয়েটের প্রশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ শূন্যতা পূরণ হলো। বিশ্ববিদ্যালয়-সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, তার নেতৃত্বে শিক্ষা, গবেষণা, প্রশাসনিক সমন্বয় এবং চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে।