অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশ এখন বিদেশি বিনিয়োগের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত। তিনি আরও জানান যে, আনোয়ারায় চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের কার্যক্রম উদ্বোধন চট্টগ্রাম তথা দেশের অর্থনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে।
রোববার চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী বলেন, এই জোনে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি, সম্ভবত এক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ হবে। তিনি উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রীর এক ট্রিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে চায়না ইকোনমিক জোনের কার্যক্রম একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন পূরণের জন্য বেসরকারি বিনিয়োগ অপরিহার্য এবং এ লক্ষ্যে দেশের বিদ্যমান বিনিয়োগবান্ধব আইন সংশোধন করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী বিদেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে পরিবেশ সুরক্ষার উপর গুরুত্বারোপ করেন এবং পরিবেশবান্ধব কারখানা স্থাপনের আহ্বান জানান। তিনি শ্রমিকদের আবাসনের ব্যবস্থা এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করার উপরও জোর দেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ চৌধুরী বলেন, দেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা অত্যন্ত জরুরি এবং সরকার এই লক্ষ্যে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ এখন বিদেশি বিনিয়োগের জন্য একটি উপযুক্ত স্থান এবং চায়না ইকোনমিক জোনের উদ্বোধন বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক অংশীদারত্বের সূচনা যা দুই দেশের সম্পর্ককে আরও উন্নত করবে এবং বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়ক হবে। বিডার চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী চীন সফরে থাকাকালীন চায়না রোডস অ্যান্ড ব্রিজের চেয়ারম্যানের সঙ্গে চায়না ইকোনমিক জোন নিয়ে আলোচনা করেন এবং ১৮ মাসের মধ্যে প্রথম কারখানা চালু দেখার চ্যালেঞ্জ দিয়েছিলেন, যা পূরণ হতে চলেছে।
রিপোর্টারের নাম 























