প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, বরেণ্য প্রকৌশলী এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাবেক উপাচার্য ও যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. প্রকৌশলী মোশাররফ হোসেন খান (এম. এইচ. খান)-এর স্মরণে এক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় বুয়েটের কাউন্সিল ভবনে বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার্স (বিএসএমই)-এর উদ্যোগে এই আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা মরহুম অধ্যাপক ড. এম. এইচ. খানের বর্ণাঢ্য কর্মজীবন, শিক্ষা ও প্রকৌশল ক্ষেত্রে তাঁর অসামান্য অবদান এবং দেশ ও জাতির প্রতি তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা স্মরণ করেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন বুয়েটের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম, বিএসএমই-এর প্রেসিডেন্ট ও বুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের সাবেক অধ্যাপক এবং আইইউটি ও আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ফাজলী ইলাহী, অধ্যাপক ড. এ কে এম সদরুল ইসলাম, বুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহা. মাহবুবুর রাজ্জাক এবং অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী।
এছাড়াও স্মৃতিচারণ করেন বুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. দীপক কান্তি দাস, পুরকৌশল বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. শামীমুজ্জামান বসুনিয়া, পিএমআরই বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. ম. তামিম এবং ইঞ্জিনিয়ার নাদিমা জাহান তানিয়া। বক্তারা অধ্যাপক ড. এম. এইচ. খানকে একজন প্রজ্ঞাবান শিক্ষাবিদ, বরেণ্য প্রকৌশলী এবং অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে অভিহিত করেন। তাঁর প্রয়াণে জাতি একজন দূরদর্শী শিক্ষাবিদ ও অসাধারণ প্রকৌশলীকে হারিয়েছে, যা দেশের প্রকৌশল শিক্ষা, উচ্চশিক্ষা এবং পেশাজীবী সমাজের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।
বক্তারা আরও জানান, অধ্যাপক ড. এম. এইচ. খান তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবনে শিক্ষা, প্রকৌশল ও প্রশাসনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রেখেছেন। তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশল বিভাগে দীর্ঘ ৩৫ বছর শিক্ষকতা করেন। কর্মজীবনে তিনি বিভাগীয় প্রধান, ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন এবং ১৯৮৭ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত বুয়েটের উপাচার্য হিসেবে অত্যন্ত সুনাম ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ১৯৯৫ সালে আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (AUST) প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
রিপোর্টারের নাম 



















