রাজধানীর ডেমরার সামসুল হক খান স্কুল এন্ড কলেজের গভর্নিং বডির নির্বাচন হঠাৎ স্থগিতের প্রতিবাদ জানিয়েছে সচেতন অভিভাবক ফোরাম। শনিবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা নির্বাচন স্থগিতের কারণ ব্যাখ্যা করার দাবি জানান এবং আগামী তিনদিনের মধ্যে নতুন করে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, শনিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও অদৃশ্য শক্তির ইশারায় শুক্রবার মধ্যরাতে তা স্থগিত করা হয়। সচেতন অভিভাবক ফোরামের সদস্য সচিব মোহাম্মদ আলী লিখিত বক্তব্যে বলেন, নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (আইসিটি ও শিক্ষা) শামীমা সুলতানা অদৃশ্য কোনো শক্তির ইশারায় শুক্রবার মধ্যরাতে নির্বাচন স্থগিত সংক্রান্ত নোটিশ প্রদান করেন, যা বিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনলাইন গ্রুপে প্রচার করা হয়। তবে, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী কোনো প্রার্থীকে নির্বাচন স্থগিতের বিষয়টি লিখিত বা মৌখিকভাবে অবগত করা হয়নি। ফলে বিদ্যালয়ের অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে চরম উদ্বেগ ও হতাশা বিরাজ করছে।
তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচন স্থগিতের পেছনে এমন কিছু প্রভাব কাজ করেছে, যা একটি নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করেছে। অনেক অভিভাবকের ধারণা, বর্তমান প্রশাসন তাদের পছন্দের একটি পরিচালনা পর্ষদ বহাল রাখতে আগ্রহী এবং নতুন প্রতিনিধিদের নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ সীমিত করতে চায়। তিনি এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানান।
মোহাম্মদ আলী আরও বলেন, সামসুল হক খান স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা দীর্ঘদিন যাবত তার নিজস্ব পছন্দের অনির্বাচিত কমিটির মাধ্যমে স্কুল পরিচালনা করে আসছেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী প্রেক্ষাপটে অভিভাবকদের চাপে অদ্য তারিখে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার তফসিল ঘোষণা করেন। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ৫ জন শিক্ষক প্রতিনিধি অধ্যক্ষের পছন্দমত নির্বাচন করেন। অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচনে অধ্যক্ষের পছন্দের প্রার্থীদের ভরাডুবির আশঙ্কায় অধ্যক্ষ ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে এবং রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে প্রিজাইডিং অফিসারকে অবৈধভাবে প্রভাবিত করে শুক্রবার মধ্যরাতে নির্বাচন স্থগিতের নোটিশ প্রদান করা হয়।
রিপোর্টারের নাম 




















