স্পেনের সেভিল অঞ্চলের ছোট শহর ‘লস পালাসিওস ই ভিয়াফ্রেঙ্কা’ ফুটবলের বিশ্বমঞ্চে তাদের খেলোয়াড়দের সাফল্যের উদযাপনে এক অনন্য ঐতিহ্যের জন্য আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের নজর কেড়েছে। এই পৌরসভাটি বিশ্বজয়ী খেলোয়াড়দের তাদের ওজনের সমপরিমাণ তাজা স্থানীয় টমেটো উপহার দিয়ে থাকে।
দক্ষিণ স্পেনের এই কৃষিপ্রধান এলাকাটি উচ্চমানের টমেটো উৎপাদনের জন্য সুপরিচিত। এখানকার বাসিন্দারা শহরের ঐতিহ্য ও গৌরব উদযাপনের অংশ হিসেবে সফল ক্রীড়াবিদদের এমন অভিনব সংবর্ধনা জানান।
সম্প্রতি বিশ্বজয়ী স্প্যানিশ তারকা ফ্যাবিয়ান রুইজ (৮৫ কেজি) এবং গাভি (৬৮.৫ কেজি)-কে প্রকাশ্যে দাঁড়িপাল্লায় মেপে মোট ১৫৩.৫ কেজি স্থানীয় টমেটো উপহার দেওয়া হয়েছে।
এই শহরটি বিশ্ব ফুটবলে স্পেনের একটি বড় আঁতুড়ঘর হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। একই শহর থেকে উঠে এসেছেন আন্তর্জাতিক ফুটবলের তিন মহাতারকা। ২০১০ বিশ্বকাপ ও ২০২৪ ইউরো জয়ী হেসুস নাভাস, ২০১০ বিশ্বকাপ জয়ী হিসেবে এই প্রথার সূচনা করেন। এছাড়াও ফ্যাবিয়ান রুইজ ২০২৪ ইউরো ও ২০২৬ বিশ্বকাপ জয়ী, এবং তরুণ তুর্কি গাভি ২০২৬ বিশ্বকাপ জয়ী।
শহরের এই তিন বিশ্বজয়ী ফুটবলারের সম্মানার্থে লস পালাসিওস পৌরসভা আরও কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দুটি প্রধান ফুটবল মাঠের নামকরণ করা হচ্ছে ফ্যাবিয়ান রুইজ এবং গাভির নামে, আর ক্রীড়া কমপ্লেক্সটি প্রবীণ তারকা হেসুস নাভাসের নামে থাকবে। শহরের কেন্দ্রস্থলে এই তিন খেলোয়াড়ের স্মরণে একটি ভাস্কর্যও তৈরি করা হবে।
টমেটোর শহর লস পালাসিওসের এই অভিনব সংবর্ধনা প্রথা প্রমাণ করে কীভাবে স্থানীয় কৃষি ও সংস্কৃতির সঙ্গে আন্তর্জাতিক খেলাধুলার আনন্দকে এক সূত্রে গাঁথা যায়। এটি তরুণ প্রজন্মের জন্য ফুটবলে এগিয়ে যাওয়ার এক বড় অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 




















