ঢাকা ১১:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

সাংস্কৃতিক আগ্রাসন মোকাবিলায় নিজস্ব ঐতিহ্য ও একুশের চেতনা রক্ষার আহ্বান

দেশের অস্তিত্ব ও জাতীয় পরিচয় রক্ষার প্রধান ভিত্তি হলো নিজস্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। বর্তমান সময়ে শক্তিশালী স্যাটেলাইট মাধ্যম, ভিনদেশি চলচ্চিত্র ও বিশাল বাণিজ্যিক বাজারের মাধ্যমে যে সাংস্কৃতিক আগ্রাসন চালানো হচ্ছে, তা মোকাবিলা করতে হলে একুশের চেতনাকে মনেপ্রাণে ধারণ করতে হবে। বুধবার বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট আয়োজিত এক সেমিনারে সরকারের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ এসব কথা বলেন।

তিনি উল্লেখ করেন, কোনো রক্তপাত ছাড়াই একটি দেশের সমাজব্যবস্থাকে মানসিকভাবে পরাধীন করার প্রধান হাতিয়ার হলো সাংস্কৃতিক আগ্রাসন। আধিপত্যবাদী শক্তিগুলো অনেক সময় অনুন্নত দেশগুলোকে তাদের ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহারের জন্য সংস্কৃতিকে মাধ্যম হিসেবে বেছে নেয়। বিদেশি সংস্কৃতির অন্ধ অনুকরণে মানুষ যখন নিজের শেকড় ভুলতে শুরু করে, তখন জাতির স্বকীয়তা হারিয়ে যায়। এমনকি মাতৃভাষার চেয়ে বিদেশি ভাষাকে আধুনিকতার প্রতীক মনে করাও এই আগ্রাসনেরই অংশ।

নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেমিক হিসেবে গড়ে তুলতে হলে তাদের সামনে বীরত্বগাথা ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে বেশি বেশি তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। নিজস্ব সাহিত্য, শিল্পকলা ও লোকসংগীতের চর্চা বজায় থাকলে মানুষ হীনম্মন্যতা কাটিয়ে যেকোনো সমাজে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে। তাই জাতীয় সংহতি ও নৈতিক মূল্যবোধ রক্ষায় যেকোনো মূল্যে এই সাংস্কৃতিক আধিপত্য প্রতিরোধ করা জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বজয়ী স্প্যানিশ ফুটবল দলের রাজকীয় সংবর্ধনা: মাদ্রিদের রাজপথে লাখো মানুষের উল্লাস

সাংস্কৃতিক আগ্রাসন মোকাবিলায় নিজস্ব ঐতিহ্য ও একুশের চেতনা রক্ষার আহ্বান

আপডেট সময় : ১০:১২:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

দেশের অস্তিত্ব ও জাতীয় পরিচয় রক্ষার প্রধান ভিত্তি হলো নিজস্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। বর্তমান সময়ে শক্তিশালী স্যাটেলাইট মাধ্যম, ভিনদেশি চলচ্চিত্র ও বিশাল বাণিজ্যিক বাজারের মাধ্যমে যে সাংস্কৃতিক আগ্রাসন চালানো হচ্ছে, তা মোকাবিলা করতে হলে একুশের চেতনাকে মনেপ্রাণে ধারণ করতে হবে। বুধবার বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট আয়োজিত এক সেমিনারে সরকারের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ এসব কথা বলেন।

তিনি উল্লেখ করেন, কোনো রক্তপাত ছাড়াই একটি দেশের সমাজব্যবস্থাকে মানসিকভাবে পরাধীন করার প্রধান হাতিয়ার হলো সাংস্কৃতিক আগ্রাসন। আধিপত্যবাদী শক্তিগুলো অনেক সময় অনুন্নত দেশগুলোকে তাদের ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহারের জন্য সংস্কৃতিকে মাধ্যম হিসেবে বেছে নেয়। বিদেশি সংস্কৃতির অন্ধ অনুকরণে মানুষ যখন নিজের শেকড় ভুলতে শুরু করে, তখন জাতির স্বকীয়তা হারিয়ে যায়। এমনকি মাতৃভাষার চেয়ে বিদেশি ভাষাকে আধুনিকতার প্রতীক মনে করাও এই আগ্রাসনেরই অংশ।

নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেমিক হিসেবে গড়ে তুলতে হলে তাদের সামনে বীরত্বগাথা ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে বেশি বেশি তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। নিজস্ব সাহিত্য, শিল্পকলা ও লোকসংগীতের চর্চা বজায় থাকলে মানুষ হীনম্মন্যতা কাটিয়ে যেকোনো সমাজে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে। তাই জাতীয় সংহতি ও নৈতিক মূল্যবোধ রক্ষায় যেকোনো মূল্যে এই সাংস্কৃতিক আধিপত্য প্রতিরোধ করা জরুরি বলে তিনি মন্তব্য করেন।