২০২৪ সালের ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে। সেদিন ছাত্রীদের ওপরও সশস্ত্র হামলা চালানো হয়, যার ফলে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা এক রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল। বহু শিক্ষার্থী সেদিন রক্তাক্ত হয়েছিলেন, যার চিত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও গণপ্রতিরোধের সৃষ্টি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, শাসকগোষ্ঠী ভেবেছিল হামলার মাধ্যমে ভয় দেখিয়ে আন্দোলন স্তব্ধ করে দেওয়া যাবে। কিন্তু বাস্তবে ঘটেছিল তার উল্টো। এই হামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধের ডাক দেয়। তৎকালীন ছাত্রনেতারা শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন এবং ঢাকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিক্ষুব্ধ জনতা ও ছাত্ররা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অভিমুখে যাত্রা শুরু করেন।
চানখাঁরপুল, নীলক্ষেত ও শাহবাগসহ ক্যাম্পাসের প্রবেশপথগুলোতে সেদিন সাধারণ শিক্ষার্থীদের যে স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিরোধ গড়ে উঠেছিল, তাই পরবর্তীকালে স্বৈরাচারবিরোধী গণঅভ্যুত্থানের ভিত্তি তৈরি করে দেয়। ১৫ জুলাইয়ের সেই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষই ছিল মূলত ছাত্র-জনতার বিজয় ও একটি নতুন বাংলাদেশের সূচনালগ্ন।
রিপোর্টারের নাম 























