ঢাকা ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

মুরাদপুরের সেই উত্তাল দিন ও শহীদ ওয়াসিমের বীরত্বগাথা

১৬ জুলাই, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন। চট্টগ্রামের ষোলোশহর ও মুরাদপুর এলাকায় সেদিন যে রক্তক্ষয়ী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তার অন্যতম বীর সেনানি ছিলেন শহীদ ওয়াসিম আকরাম। আন্দোলনের সেই উত্তাল মুহূর্তে ওয়াসিমের সাহসিকতা ও তার শেষ মুহূর্তের কিছু স্মৃতি আজও সহযোদ্ধাদের মনে অমলিন হয়ে আছে। ঘটনার দিন দুপুর থেকেই মুরাদপুর এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছিল।

সহযোদ্ধাদের বর্ণনা অনুযায়ী, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সশস্ত্র অবস্থানের খবর পেয়েও বিন্দুমাত্র দমে যাননি ওয়াসিম। তিনি বারবার সহযোদ্ধাদের খোঁজ নিচ্ছিলেন এবং মিছিলে যোগ দেওয়ার জন্য উদগ্রীব ছিলেন। মুরাদপুর ব্রিজের ওপর যখন শিক্ষার্থীরা জড়ো হচ্ছিলেন, তখন চারদিক থেকে ঘেরাও হওয়ার আশঙ্কা থাকলেও ওয়াসিম তার অদম্য মনোবল নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে যোগ দেন। তার সেই সাহসী ডাক আন্দোলনের গতিকে আরও বেগবান করেছিল।

শহীদ ওয়াসিমের মতো তরুণদের আত্মত্যাগই শেষ পর্যন্ত জুলাই বিপ্লবকে সফলতার দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। আন্দোলনের সেই কঠিন সময়ে ওয়াসিম যেভাবে নিজের জীবনের পরোয়া না করে রাজপথে দাঁড়িয়েছিলেন, তা বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতির ইতিহাসে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। তার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আজও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তার সহযোদ্ধা ও রাজনৈতিক কর্মীরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সারাদেশে বর্ষার দাপট: নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি, বন্যার ঝুঁকিতে উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল

মুরাদপুরের সেই উত্তাল দিন ও শহীদ ওয়াসিমের বীরত্বগাথা

আপডেট সময় : ১০:০৭:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

১৬ জুলাই, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন। চট্টগ্রামের ষোলোশহর ও মুরাদপুর এলাকায় সেদিন যে রক্তক্ষয়ী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তার অন্যতম বীর সেনানি ছিলেন শহীদ ওয়াসিম আকরাম। আন্দোলনের সেই উত্তাল মুহূর্তে ওয়াসিমের সাহসিকতা ও তার শেষ মুহূর্তের কিছু স্মৃতি আজও সহযোদ্ধাদের মনে অমলিন হয়ে আছে। ঘটনার দিন দুপুর থেকেই মুরাদপুর এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছিল।

সহযোদ্ধাদের বর্ণনা অনুযায়ী, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সশস্ত্র অবস্থানের খবর পেয়েও বিন্দুমাত্র দমে যাননি ওয়াসিম। তিনি বারবার সহযোদ্ধাদের খোঁজ নিচ্ছিলেন এবং মিছিলে যোগ দেওয়ার জন্য উদগ্রীব ছিলেন। মুরাদপুর ব্রিজের ওপর যখন শিক্ষার্থীরা জড়ো হচ্ছিলেন, তখন চারদিক থেকে ঘেরাও হওয়ার আশঙ্কা থাকলেও ওয়াসিম তার অদম্য মনোবল নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে যোগ দেন। তার সেই সাহসী ডাক আন্দোলনের গতিকে আরও বেগবান করেছিল।

শহীদ ওয়াসিমের মতো তরুণদের আত্মত্যাগই শেষ পর্যন্ত জুলাই বিপ্লবকে সফলতার দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে। আন্দোলনের সেই কঠিন সময়ে ওয়াসিম যেভাবে নিজের জীবনের পরোয়া না করে রাজপথে দাঁড়িয়েছিলেন, তা বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতির ইতিহাসে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। তার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আজও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তার সহযোদ্ধা ও রাজনৈতিক কর্মীরা।