মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও অভিযোগ করেছেন যে, ইরান গত বিশ বছর ধরে তার জনগণের কল্যাণে অর্থ ব্যয় না করে সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে, বিশেষ করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবস্থা তৈরিতে অগ্রাধিকার দিয়েছে। ফিলিপাইনে অনুষ্ঠিত আসিয়ান বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন।
রুবিও আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধের ফলে ইরানের অর্থনীতি ও সামরিক সক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তেহরানের হামলা চালানোর ক্ষমতা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, এটি প্রমাণ করে যে ইরান দীর্ঘ সময় ধরে সামরিক খাতে অর্থ বিনিয়োগ করে আসছে।
যুক্তরাষ্ট্রের হতাহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে এমন এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে রুবিও বলেন, যুদ্ধক্ষেত্রে থাকলে ঝুঁকি থাকবেই। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, ইরানের সামরিক অবকাঠামো ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে।
রুবিও উল্লেখ করেন, ইরান তার প্রতিটি পয়সা দেশের জন্য খরচ না করে, বরং দেশের অস্ত্রধারী গোষ্ঠীগুলোকে পৃষ্ঠপোষকতা করতে এবং তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ব্যয় করেছে।
রিপোর্টারের নাম 

























