ভারতের আসাম রাজ্যে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বন্যাজনিত দুর্ঘটনায় ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার ফলে চলতি বছরের বন্যায় রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩১ জনে। একই সঙ্গে রাজ্যের ১৬টি জেলার প্রায় ৫ লাখ ৬৪ হাজার ৬০০ জন মানুষ বন্যার কবলে পড়েছেন বলে জানিয়েছে আসাম রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এএসডিএমএ)।
মঙ্গলবার গভীর রাতের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বাধিক ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে শিবসাগর জেলায়। এছাড়া চরাইদেও জেলায় পাঁচজন, গোলাঘাটে দুজন এবং যোরহাটে একজনের মৃত্যু হয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বুধবার ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলো সফরে গিয়ে ত্রাণ ও উদ্ধারকাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখবেন। তিনি জানান, উজানে মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে সৃষ্ট এই ভয়াবহ বন্যায় সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছে।
এএসডিএমএ জানিয়েছে, গোলাঘাট, কামরূপ, হোজাই, ডিব্রুগড়, বিশ্বনাথ, ধেমাজি, সোনিতপুর, উদালগুড়ি, নগাঁও, চরাইদেও, কামরূপ (মেট্রো), যোরহাট, তিনসুকিয়া, কার্বি আংলং, লখিমপুর এবং শিবসাগর—এই ১৬টি জেলার মোট ৫ লাখ ৬৪ হাজার ৬০০ জন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সোমবার এই সংখ্যা ১৫টি জেলার ৩ লাখ ৬৩ হাজারেরও বেশি ছিল।
রাজ্যের ৪৪টি রাজস্ব চক্রের অধীন মোট ৮৭২টি গ্রাম এখনো প্লাবিত রয়েছে। এর মধ্যে শিবসাগর জেলায় সর্বাধিক ৩ লাখ ৫৯ হাজার ৫৩৫ জন, যোরহাটে ৮৭ হাজার ৬৬২ জন এবং চরাইদেও জেলায় ৭২ হাজার ৬৪৬ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বর্তমানে রাজ্যজুড়ে ৭১টি ত্রাণ শিবিরে ১২ হাজার ২৮৪ জন আশ্রয় নিয়েছেন এবং ২০২টি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্র চালু রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 

























