ঢাকা ১০:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

ইরান-পাকিস্তানের মধ্যে নতুন সীমান্ত ক্রসিং, বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্য

ইরান ও পাকিস্তান দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি নতুন সীমান্ত ক্রসিং খুলতে সম্মত হয়েছে। বুধবার রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের সঙ্গে ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইস্কান্দার মোমেনির বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠকে উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, আঞ্চলিক ও দ্বিপক্ষীয় নিরাপত্তা এবং দুই দেশের অভিন্ন সীমান্তের কার্যকর ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করে। এ সময় আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার করা হয়।

ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেনি জানান, এই নতুন সীমান্ত ক্রসিং প্রতিবেশী দেশ দুটির মধ্যে বাণিজ্য সহজতর করবে। দুই দেশ বর্তমান প্রায় তিন বিলিয়ন ডলারের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যকে ১০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার প্রাথমিক লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এই লক্ষ্য অর্জনে সীমান্ত অবকাঠামোতে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ প্রয়োজন হবে।

মোমেনি আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমন, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং স্থিতিশীলতা রক্ষায় পাকিস্তানের অব্যাহত প্রচেষ্টা ও কূটনৈতিক ভূমিকার প্রশংসা করেন। উভয় পক্ষ আঞ্চলিক নিরাপত্তা রক্ষা এবং পারস্পরিক সমৃদ্ধি প্রসারের লক্ষ্যে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় ও কার্যপ্রণালি জোরদার করার দৃঢ় সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করে। ইসলামাবাদ সফরকালে ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভির সঙ্গেও বৈঠক করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বজয়ী স্প্যানিশ ফুটবল দলের রাজকীয় সংবর্ধনা: মাদ্রিদের রাজপথে লাখো মানুষের উল্লাস

ইরান-পাকিস্তানের মধ্যে নতুন সীমান্ত ক্রসিং, বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্য

আপডেট সময় : ০৯:৫১:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

ইরান ও পাকিস্তান দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একটি নতুন সীমান্ত ক্রসিং খুলতে সম্মত হয়েছে। বুধবার রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের সঙ্গে ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইস্কান্দার মোমেনির বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠকে উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, আঞ্চলিক ও দ্বিপক্ষীয় নিরাপত্তা এবং দুই দেশের অভিন্ন সীমান্তের কার্যকর ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করে। এ সময় আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার করা হয়।

ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেনি জানান, এই নতুন সীমান্ত ক্রসিং প্রতিবেশী দেশ দুটির মধ্যে বাণিজ্য সহজতর করবে। দুই দেশ বর্তমান প্রায় তিন বিলিয়ন ডলারের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যকে ১০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার প্রাথমিক লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এই লক্ষ্য অর্জনে সীমান্ত অবকাঠামোতে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ প্রয়োজন হবে।

মোমেনি আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমন, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং স্থিতিশীলতা রক্ষায় পাকিস্তানের অব্যাহত প্রচেষ্টা ও কূটনৈতিক ভূমিকার প্রশংসা করেন। উভয় পক্ষ আঞ্চলিক নিরাপত্তা রক্ষা এবং পারস্পরিক সমৃদ্ধি প্রসারের লক্ষ্যে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় ও কার্যপ্রণালি জোরদার করার দৃঢ় সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করে। ইসলামাবাদ সফরকালে ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভির সঙ্গেও বৈঠক করেন।