নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে তার বহিষ্কারের বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা আসনটি শূন্য ঘোষণা এবং উপনির্বাচনের সম্ভাবনা তৈরি করেছে।
বুধবার (তারিখ উল্লেখ নেই, তাই বাদ দিলাম) বিকেলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক জরুরি বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। রাজধানীর মিন্টু রোডস্থ বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান এমপি। বৈঠকে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সকল সদস্য উপস্থিত ছিলেন বলে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
জামায়াতে ইসলামীর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সম্প্রতি সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত নারী সংক্রান্ত বিষয়ে সাংগঠনিক তদন্তে তার নৈতিক স্খলনের প্রমাণ পাওয়া যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে, দলের গঠনতন্ত্রের ৬২ নং ধারা অনুযায়ী তাকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সাথে, তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কারের বিষয়টি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে দ্রুত অবহিত করার সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়।
দলের সূত্রমতে, গাজী নজরুল ইসলামের নারী সংক্রান্ত কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর জামায়াত দ্রুত একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পরই নির্বাহী পরিষদের এই জরুরি বৈঠক ডাকা হয়।
বৈঠকের আগে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম (সংবাদমাধ্যম উল্লেখ নেই, তাই বাদ দিলাম) কে জানান, যেকোনো অনৈতিকতা ও অপরাধের ব্যাপারে দল কঠোর ব্যবস্থা নেবে এবং এক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। তিনি বলেন, নৈতিকতার প্রশ্নে কে এমপি থাকলেন বা না থাকলেন, তা তাদের কাছে বিবেচনার বিষয় নয়। অনৈতিক কর্মকাণ্ড কিংবা অপরাধে জড়িত হলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কারের বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হলে কমিশন আসনটি শূন্য ঘোষণা করতে পারে। এমনটি হলে সাতক্ষীরা-৪ আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, যা ওই এলাকার রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মেরুকরণ তৈরি করতে পারে।
রিপোর্টারের নাম 























