রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল ও কলেজের দিয়াবাড়ি ক্যাম্পাসে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার এক বছর পূর্ণ হলো। গত বছরের ২১ জুলাই স্কুল প্রাঙ্গণে বিমান বাহিনীর একটি এফ-৭ বিজিআই প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় স্কুল শাখার ২৮ শিশু শিক্ষার্থী, তিনজন অভিভাবক, তিনজন শিক্ষক এবং একজন সহায়ক কর্মীসহ মোট ৩৫ জন নিহত হন। আহতদের অনেকেই এখনো স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি।
এই বেদনাদায়ক দুর্ঘটনার এক বছর পূর্তিতে নিহতদের স্মরণে ও আহতদের প্রতি সমবেদনা জানাতে মাইলস্টোন কলেজ দুদিনের শোক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনায় বিশেষ শোক ও দোয়ার আয়োজন করা হয়। এতে মাইলস্টোন কলেজের উপদেষ্টা কর্নেল (অব.) নুরুন্নবী প্রধান অতিথি এবং মাইলস্টোন প্রিপারেটরি কেজি স্কুলের নির্বাহী অধ্যক্ষ রিফাত নবী আলম বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কবর প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জিয়ারত ও দোয়ার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।
স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আজ মঙ্গলবার শোক ও শ্রদ্ধায় দিবসটি স্মরণ করতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সকল শাখায় সাধারণ ছুটি থাকবে। নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বিএনসিসি, রোভার স্কাউট, গার্লস গাইড, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং অভিভাবকদের উপস্থিতিতে সশ্রদ্ধ সালাম, শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এসব কর্মসূচি দুর্ঘটনাস্থল দিয়াবাড়িতে অবস্থিত মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে।
মাইলস্টোন স্কুলে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় পাইলটের উড্ডয়ন প্রশিক্ষণে ঘাটতি ছিল বলে তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিমানটির পাইলটের গ্রাউন্ড সুপারভাইজার বা অফিসার কমান্ডিংয়ের যথাযথ ও পর্যাপ্ত তত্ত্বাবধানের অভাব ছিল বলেও তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 





















