ঢাকা ০৮:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

লোহাগড়ায় ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে হাজার হেক্টর ফসলি জমি

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় টানা ভারী বর্ষণ এবং নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে ব্যাপক কৃষি বিপর্যয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের নিচু এলাকার প্রায় এক হাজার হেক্টর ফসলি জমি বর্তমানে পানির নিচে তলিয়ে আছে। এতে আমন ধান ও বিভিন্ন ধরনের মৌসুমি সবজির ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। মাঠের পর মাঠ হাঁটু থেকে কোমর সমান পানিতে ডুবে থাকায় কৃষকদের চোখেমুখে এখন দুশ্চিন্তার ছাপ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, আকস্মিক এই জলাবদ্ধতায় কৃষির প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে তারা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছেন। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। লোহাগড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, যদি দ্রুত পানি নেমে যায় তবে ক্ষতির মাত্রা কিছুটা কম হতে পারে। বর্তমানে কৃষি বিভাগের কর্মীরা মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন এবং পানি নিষ্কাশনের বিকল্প উপায়গুলো খতিয়ে দেখছেন। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বরিশাল সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, যোগ দেবেন বৃক্ষরোপণ ও মতবিনিময় সভায়

লোহাগড়ায় ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে হাজার হেক্টর ফসলি জমি

আপডেট সময় : ০১:৩৬:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় টানা ভারী বর্ষণ এবং নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে ব্যাপক কৃষি বিপর্যয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের নিচু এলাকার প্রায় এক হাজার হেক্টর ফসলি জমি বর্তমানে পানির নিচে তলিয়ে আছে। এতে আমন ধান ও বিভিন্ন ধরনের মৌসুমি সবজির ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। মাঠের পর মাঠ হাঁটু থেকে কোমর সমান পানিতে ডুবে থাকায় কৃষকদের চোখেমুখে এখন দুশ্চিন্তার ছাপ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, আকস্মিক এই জলাবদ্ধতায় কৃষির প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে তারা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছেন। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। লোহাগড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, যদি দ্রুত পানি নেমে যায় তবে ক্ষতির মাত্রা কিছুটা কম হতে পারে। বর্তমানে কৃষি বিভাগের কর্মীরা মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন এবং পানি নিষ্কাশনের বিকল্প উপায়গুলো খতিয়ে দেখছেন। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।