ঢাকা ০৭:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গে গির্জায় হামলা ও ভাঙচুর: ধর্মান্তরকরণের অভিযোগে উত্তেজনা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩২:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার সোনারপুর এলাকায় একটি নির্মাণাধীন গির্জায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। প্রায় ১০০ জনের একটি দল সুভাষগ্রামের ওই গির্জার ভেতরে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় এবং ছাদের ওপরে থাকা তিনটি ক্রুশ ভেঙে ফেলে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় স্থানীয় খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

হামলাকারীরা নিজেদের ‘হিন্দু জাগরণ মঞ্চের’ সদস্য বলে দাবি করেছে। তাদের অভিযোগ, ওই এলাকায় প্রলোভন দেখিয়ে ধর্মান্তরকরণ করা হচ্ছে। তবে আক্রান্ত পরিবারের সদস্যরা এই অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছেন, তারা দীর্ঘকাল ধরে ওই এলাকায় বসবাস করছেন এবং নিজেদের জমিতেই উপাসনালয় নির্মাণ করছিলেন। তারা আরও জানান, হামলাকারীরা নারীদের ধর্মীয় পোশাক ও সিঁদুর পরা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।

ঘটনার পর স্থানীয় পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে। প্রার্থনাস্থলে এমন বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে সরব হয়েছে স্থানীয় খ্রিষ্টান সম্প্রদায়। তারা বলছেন, কোনো অভিযোগ থাকলে তা আইনগতভাবে মোকাবিলা না করে সরাসরি হামলা চালানো ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর আঘাত।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশে হামের প্রকোপ বাড়ছে: ২৪ ঘণ্টায় আরও ২ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৯৪৬

পশ্চিমবঙ্গে গির্জায় হামলা ও ভাঙচুর: ধর্মান্তরকরণের অভিযোগে উত্তেজনা

আপডেট সময় : ০৬:৩২:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার সোনারপুর এলাকায় একটি নির্মাণাধীন গির্জায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। প্রায় ১০০ জনের একটি দল সুভাষগ্রামের ওই গির্জার ভেতরে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় এবং ছাদের ওপরে থাকা তিনটি ক্রুশ ভেঙে ফেলে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় স্থানীয় খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

হামলাকারীরা নিজেদের ‘হিন্দু জাগরণ মঞ্চের’ সদস্য বলে দাবি করেছে। তাদের অভিযোগ, ওই এলাকায় প্রলোভন দেখিয়ে ধর্মান্তরকরণ করা হচ্ছে। তবে আক্রান্ত পরিবারের সদস্যরা এই অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছেন, তারা দীর্ঘকাল ধরে ওই এলাকায় বসবাস করছেন এবং নিজেদের জমিতেই উপাসনালয় নির্মাণ করছিলেন। তারা আরও জানান, হামলাকারীরা নারীদের ধর্মীয় পোশাক ও সিঁদুর পরা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।

ঘটনার পর স্থানীয় পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে। প্রার্থনাস্থলে এমন বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে সরব হয়েছে স্থানীয় খ্রিষ্টান সম্প্রদায়। তারা বলছেন, কোনো অভিযোগ থাকলে তা আইনগতভাবে মোকাবিলা না করে সরাসরি হামলা চালানো ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর আঘাত।