ঢাকা ১০:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের প্রভাব: বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় লাফ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৩:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে সামরিক হামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক লাফে কয়েক শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে ৭৮ দশমিক ৮০ ডলারে পৌঁছেছে এবং মার্কিন ডব্লিউটিআই তেলের দামও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তেজনার সূত্রপাত হয় যখন বুধবার ভোরে দক্ষিণ ইরানে মার্কিন বাহিনী বিমান হামলা চালায়। এই হামলায় ইরানের বিমান ও নৌবাহিনীর অন্তত আটজন সদস্য নিহত হয়েছেন বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ইরনা নিশ্চিত করেছে। বন্দর আব্বাস ও বুশেহরের মতো কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এই হামলা চালানো হয়। এর জবাবে ইরানও বসে থাকেনি; তারা কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এটি তাদের ‘শাস্তিমূলক প্রতিক্রিয়ার’ প্রথম ধাপ। হামলার লক্ষ্য ছিল কুয়েতের ক্যাম্প আরিফজান ও বাহরাইনের শেখ ইসা সামরিক ঘাঁটি। দুই পরাশক্তির এই পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে হরমুজ প্রণালীসহ গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলোতে জাহাজ চলাচল ঝুঁকির মুখে পড়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে তেলের বাজারে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে জ্বালানি তেলের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা: ৪১ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রের তেলের মজুত

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের প্রভাব: বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় লাফ

আপডেট সময় : ১০:২৩:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে সামরিক হামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক লাফে কয়েক শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে ৭৮ দশমিক ৮০ ডলারে পৌঁছেছে এবং মার্কিন ডব্লিউটিআই তেলের দামও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তেজনার সূত্রপাত হয় যখন বুধবার ভোরে দক্ষিণ ইরানে মার্কিন বাহিনী বিমান হামলা চালায়। এই হামলায় ইরানের বিমান ও নৌবাহিনীর অন্তত আটজন সদস্য নিহত হয়েছেন বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ইরনা নিশ্চিত করেছে। বন্দর আব্বাস ও বুশেহরের মতো কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এই হামলা চালানো হয়। এর জবাবে ইরানও বসে থাকেনি; তারা কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এটি তাদের ‘শাস্তিমূলক প্রতিক্রিয়ার’ প্রথম ধাপ। হামলার লক্ষ্য ছিল কুয়েতের ক্যাম্প আরিফজান ও বাহরাইনের শেখ ইসা সামরিক ঘাঁটি। দুই পরাশক্তির এই পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে হরমুজ প্রণালীসহ গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলোতে জাহাজ চলাচল ঝুঁকির মুখে পড়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে তেলের বাজারে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে জ্বালানি তেলের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।