ঢাকা ১০:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

খামেনির জানাজা বিঘ্নিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, চরম প্রতিশোধের ঘোষণা ইরানের

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৩:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে মধ্যপ্রাচ্যে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) অভিযোগ করেছে যে, খামেনির দাফন প্রক্রিয়াকে ম্লান করতে এবং জনসমাগম বাধাগ্রস্ত করতে যুক্তরাষ্ট্র মাশহাদগামী সড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেতুতে বিমান হামলা চালিয়েছে।

আইআরজিসির এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলীয় প্রদেশ এবং পবিত্র শহর মাশহাদের সংযোগকারী দুটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। ঐতিহাসিক এই শোকের অনুষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তু করার কঠোর নিন্দা জানিয়ে ইরান পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালিয়েছে। মার্কিন বাহিনীকে সতর্ক করে তেহরান জানিয়েছে, পুনরায় হামলা চালানো হলে এই অঞ্চলে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য সামরিক স্থাপনাগুলোতে আরও ভয়াবহ প্রতিশোধমূলক আক্রমণ চালানো হবে।

এর আগে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছিল, মার্কিন বাহিনী আককালা শহরের কাছে আক তেখে খান সেতুতে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। মূলত খামেনির শেষ বিদায়ে মানুষের ঢল ঠেকাতেই পরিকল্পিতভাবে এই অবকাঠামোগুলো ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি ইরানের। বর্তমানে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই অঞ্চলে সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা আরও তীব্র হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা: ৪১ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রের তেলের মজুত

খামেনির জানাজা বিঘ্নিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, চরম প্রতিশোধের ঘোষণা ইরানের

আপডেট সময় : ১০:২৩:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষ বিদায় অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে মধ্যপ্রাচ্যে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) অভিযোগ করেছে যে, খামেনির দাফন প্রক্রিয়াকে ম্লান করতে এবং জনসমাগম বাধাগ্রস্ত করতে যুক্তরাষ্ট্র মাশহাদগামী সড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেতুতে বিমান হামলা চালিয়েছে।

আইআরজিসির এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকূলীয় প্রদেশ এবং পবিত্র শহর মাশহাদের সংযোগকারী দুটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। ঐতিহাসিক এই শোকের অনুষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তু করার কঠোর নিন্দা জানিয়ে ইরান পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালিয়েছে। মার্কিন বাহিনীকে সতর্ক করে তেহরান জানিয়েছে, পুনরায় হামলা চালানো হলে এই অঞ্চলে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য সামরিক স্থাপনাগুলোতে আরও ভয়াবহ প্রতিশোধমূলক আক্রমণ চালানো হবে।

এর আগে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছিল, মার্কিন বাহিনী আককালা শহরের কাছে আক তেখে খান সেতুতে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। মূলত খামেনির শেষ বিদায়ে মানুষের ঢল ঠেকাতেই পরিকল্পিতভাবে এই অবকাঠামোগুলো ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি ইরানের। বর্তমানে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই অঞ্চলে সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা আরও তীব্র হয়েছে।