ঢাকা ১০:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

ইসরায়েলের নতুন লক্ষ্যবস্তু তুরস্ক: চিরস্থায়ী শত্রু সন্ধানে নেতানিয়াহু প্রশাসন

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৩:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখল করে ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ইসরায়েল এক ধরনের অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে। এই ভীতি থেকেই দেশটি ফিলিস্তিনিদের ওপর দমন-পীড়ন এবং প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান অব্যাহত রেখেছে। দীর্ঘ সময় ধরে ইরানকে তাদের প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে বিবেচনা করলেও, সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ইসরায়েলের তালিকায় যুক্ত হয়েছে নতুন এক নাম—তুরস্ক।

গত কয়েক বছরে যুক্তরাষ্ট্রকে সঙ্গে নিয়ে ইরানের ওপর একাধিক হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। তবে সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে কাঙ্ক্ষিত বিজয় অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ শক্তি। এই পরিস্থিতিতে ইসরায়েলি নীতিনির্ধারকরা তাদের কৌশল পরিবর্তন করেছেন। তারা এখন তুরস্ককে প্রধান শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করে নতুন করে প্রচার শুরু করেছেন। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তাঁর মন্ত্রিসভার উগ্রপন্থী সদস্যরা এখন ইরানের বদলে তুরস্কের সামরিক সক্ষমতাকে বড় হুমকি হিসেবে উপস্থাপন করছেন।

ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে দাবি করেছেন যে, তুরস্কই হতে যাচ্ছে আগামী দিনের ‘নতুন ইরান’। তাঁর মতে, তুরস্ক কেবল সামরিকভাবে শক্তিশালী নয়, বরং তারা সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মতো দেশগুলোর সঙ্গে মিলে একটি নতুন আঞ্চলিক মেরুকরণ তৈরির চেষ্টা করছে। ইসরায়েলি নেতাদের এই সুপরিকল্পিত ভাষা পরিবর্তন ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু এবার তুরস্কের দিকে মোড় নিতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা: ৪১ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রের তেলের মজুত

ইসরায়েলের নতুন লক্ষ্যবস্তু তুরস্ক: চিরস্থায়ী শত্রু সন্ধানে নেতানিয়াহু প্রশাসন

আপডেট সময় : ১০:২৩:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখল করে ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ইসরায়েল এক ধরনের অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে। এই ভীতি থেকেই দেশটি ফিলিস্তিনিদের ওপর দমন-পীড়ন এবং প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান অব্যাহত রেখেছে। দীর্ঘ সময় ধরে ইরানকে তাদের প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে বিবেচনা করলেও, সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ইসরায়েলের তালিকায় যুক্ত হয়েছে নতুন এক নাম—তুরস্ক।

গত কয়েক বছরে যুক্তরাষ্ট্রকে সঙ্গে নিয়ে ইরানের ওপর একাধিক হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। তবে সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে কাঙ্ক্ষিত বিজয় অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ শক্তি। এই পরিস্থিতিতে ইসরায়েলি নীতিনির্ধারকরা তাদের কৌশল পরিবর্তন করেছেন। তারা এখন তুরস্ককে প্রধান শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করে নতুন করে প্রচার শুরু করেছেন। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তাঁর মন্ত্রিসভার উগ্রপন্থী সদস্যরা এখন ইরানের বদলে তুরস্কের সামরিক সক্ষমতাকে বড় হুমকি হিসেবে উপস্থাপন করছেন।

ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে দাবি করেছেন যে, তুরস্কই হতে যাচ্ছে আগামী দিনের ‘নতুন ইরান’। তাঁর মতে, তুরস্ক কেবল সামরিকভাবে শক্তিশালী নয়, বরং তারা সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মতো দেশগুলোর সঙ্গে মিলে একটি নতুন আঞ্চলিক মেরুকরণ তৈরির চেষ্টা করছে। ইসরায়েলি নেতাদের এই সুপরিকল্পিত ভাষা পরিবর্তন ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু এবার তুরস্কের দিকে মোড় নিতে পারে।