ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ম্যাচ দেখলো বিশ্ব, যেখানে আর্জেন্টিনা ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়েও ৩-২ ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে মিশরের বিপক্ষে। দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি টাইমে এনজো ফার্নান্দেজের করা একটি দর্শনীয় গোল শুধু আর্জেন্টিনাকে শেষ ষোলোর বৈতরণী পার করায়নি, বরং এটি ফুটবল বিশ্বকাপের ৯৬ বছরের ইতিহাসে ৩ হাজারতম গোল হিসেবে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।
ম্যাচের নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে যখন অতিরিক্ত সময় চলছিল, তখনই ডান প্রান্ত থেকে লাউতারো মার্তিনেজের নিখুঁত ক্রস থেকে বাজপাখির মতো উড়ে এসে এনজো ফার্নান্দেজ হেডের মাধ্যমে বল জালে জড়ান। গ্যালারিতে তখন আলবিসেলেস্তে সমর্থকদের বাঁধভাঙা উল্লাস। এই মহাকাব্যিক প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়েই ২০২৬ সালের ২৩তম বিশ্বকাপের আসর এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হলো।
২৩তম আসরের দীর্ঘ পথচলার মাঝে এই অনন্য মাইলফলক অর্জিত হওয়ায় ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে নতুন করে আলোচনার ঢেউ উঠেছে। এনজো ফার্নান্দেজের এই অবিস্মরণীয় কীর্তির দিনে চলুন ফিরে তাকানো যাক বিশ্বকাপের ইতিহাসের পাতায়, যেখানে লুকিয়ে আছে আগের সব মাইলফলক গোলের গল্প:
প্রথম গোল (১৯৩০): বিশ্বকাপের ইতিহাসের প্রথম গোলটি এসেছিল ফ্রান্সের লুসিয়েন লরেন্তের পা থেকে। মেক্সিকোর বিপক্ষে ম্যাচের মাত্র ১৯ মিনিটেই তিনি গোলের খাতা খোলেন, যা ফ্রান্স ৪-১ ব্যবধানে জিতেছিল।
১০০তম গোল (১৯৩৪): দ্বিতীয় আসরেই গোলের সেঞ্চুরি পূর্ণ হয়। যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ইতালির ৭-১ ব্যবধানে জয়ের ম্যাচে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করার পাশাপাশি টুর্নামেন্টের ১০০তম গোলটি করেন ফরোয়ার্ড অ্যাঞ্জেলো শিয়াভিও।
২০০তম গোল (১৯৩৮): কিউবাকে ৮-০ গোলে উড়িয়ে দেওয়ার ম্যাচে নিজের হ্যাটট্রিক উদযাপনের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বকাপের ২০০তম গোলটি উপহার দেন সুইডেনের স্ট্রাইকার হ্যারি অ্যান্ডারসন।
৩০০তম গোল (১৯৫০): ব্রাজিলের মাটিতে স্পেনের বিপক্ষে ৩-০ গোলে এগিয়ে থাকার পর, দ্বিতীয়ার্ধে আরও একটি দর্শনীয় গোল করে ৩০০ গোলের কোটা পূরণ করেন সেলেসাও তারকা চিকো।
৪০০তম গোল (১৯৫৪): ১৯৫৪ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচেই তুরস্কের জাল কাঁপিয়ে ৪০০তম গোলের মাইলফলকে নিজের নাম খোদাই করেন জার্মানির মাক্স মোরলোক।
৫০০তম গোল (১৯৭৮): প্যারাগুয়ের বিপক্ষে স্কটল্যান্ডের এক ম্যাচে বিশ্বকাপের ৫০০তম গোলের মাইলফলক স্পর্শ হয়, যার বিস্তারিত বিবরণ এই মুহূর্তে অসম্পূর্ণ রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 






















