ঢাকা ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

জাতিসংঘে বাংলাদেশের মহাপরিকল্পনা: ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও তিস্তা প্রকল্পের মাধ্যমে পানি নিরাপত্তা নিশ্চিতের ঘোষণা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:০২:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

জাতিসংঘ সদর দপ্তরে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বিষয়ক এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং পানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশের সুদূরপ্রসারী কর্মপরিকল্পনা ও ঐতিহাসিক পদক্ষেপগুলো তুলে ধরা হয়েছে। নিউইয়র্কে আয়োজিত এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য দেন এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস এম আবদুল আওয়াল। তিনি জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে এবং দেশের খাদ্য ও পানি নিরাপত্তাকে বর্তমানে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

বক্তব্যে ড. আওয়াল ১৯৭৭ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান ঘোষিত ঐতিহাসিক ১৯ দফা সনদের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, তৃণমূল মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে তৎকালীন সরকারের নেওয়া ‘খাল খনন কর্মসূচি’ ছিল একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। সেই ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় নদী, খাল ও সেচ ব্যবস্থার মধ্যে একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে ২০,০০০ কিলোমিটার খাল খননের এক বিশাল মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো সেচকাজের জন্য জলাধার বৃদ্ধি করা, প্রকৃতিবান্ধব উপায়ে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ এবং ভূগর্ভস্থ পানির স্তর উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামীণ ও শহুরে মানুষের জন্য নিরাপদ পানীয় জলের সুনিশ্চিত ব্যবস্থা করা। অধ্যাপক এস এম আবদুল আওয়াল তাঁর বক্তব্যে দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প ‘তিস্তা ব্যারেজ’ এর মাধ্যমে পানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আকাশে রোমহর্ষক ঘটনা: উড়ন্ত বিমান থেকে প্রশিক্ষকের ঝাঁপ, অলৌকিকভাবে অবতরণ করালেন অনভিজ্ঞ ছাত্রী

জাতিসংঘে বাংলাদেশের মহাপরিকল্পনা: ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও তিস্তা প্রকল্পের মাধ্যমে পানি নিরাপত্তা নিশ্চিতের ঘোষণা

আপডেট সময় : ০৩:০২:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

জাতিসংঘ সদর দপ্তরে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বিষয়ক এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং পানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশের সুদূরপ্রসারী কর্মপরিকল্পনা ও ঐতিহাসিক পদক্ষেপগুলো তুলে ধরা হয়েছে। নিউইয়র্কে আয়োজিত এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য দেন এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস এম আবদুল আওয়াল। তিনি জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে এবং দেশের খাদ্য ও পানি নিরাপত্তাকে বর্তমানে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

বক্তব্যে ড. আওয়াল ১৯৭৭ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান ঘোষিত ঐতিহাসিক ১৯ দফা সনদের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, তৃণমূল মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে তৎকালীন সরকারের নেওয়া ‘খাল খনন কর্মসূচি’ ছিল একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। সেই ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় নদী, খাল ও সেচ ব্যবস্থার মধ্যে একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে আগামী পাঁচ বছরে সারাদেশে ২০,০০০ কিলোমিটার খাল খননের এক বিশাল মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো সেচকাজের জন্য জলাধার বৃদ্ধি করা, প্রকৃতিবান্ধব উপায়ে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ এবং ভূগর্ভস্থ পানির স্তর উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামীণ ও শহুরে মানুষের জন্য নিরাপদ পানীয় জলের সুনিশ্চিত ব্যবস্থা করা। অধ্যাপক এস এম আবদুল আওয়াল তাঁর বক্তব্যে দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প ‘তিস্তা ব্যারেজ’ এর মাধ্যমে পানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।