লেবাননে নতুন করে চালানো ইসরাইলি হামলায় অন্তত ২৯ জন নিহত হয়েছেন। দক্ষিণ লেবানন ও পূর্বাঞ্চলীয় বেকা উপত্যকায় এই হামলা চালানো হয়, যা যুদ্ধবিরতি ঘোষণার মাত্র একদিন পর ঘটে। লেবাননের সিভিল ডিফেন্স এজেন্সি জানিয়েছে, শনিবার দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিহ জেলায় ইসরাইলি হামলায় ১৬ জন নিহত এবং ১২ জন আহত হয়েছেন। লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা (এনএনএ) অনুসারে, টায়ারের বারিশ গ্রামে ইসরাইলি হামলায় একই পরিবারের চার সদস্য নিহত হয়েছেন। এনএনএ এই ঘটনাকে ‘গণহত্যা’ বলে অভিহিত করেছে।
এ ছাড়া, সিডন শহরের কাছের একটি গ্রামে হামলায় অন্তত ৭ জন নিহত এবং ১৩ জন আহত হয়েছেন। টায়ার জেলার শাহুর পৌরসভায় একজন এবং পূর্বাঞ্চলীয় বেকা উপত্যকার সোহমোর শহরে আরো একজন নিহত হয়েছেন। লেবাননের সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, কফর রুম্মান-নাবাতিহ সড়কে ইসরাইলি বিমান হামলায় তাদের একজন কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। সেনাবাহিনী আরো জানায়, ইসরাইলের এই বর্বর হামলার উদ্দেশ্য হলো লেবাননে স্থিতিশীলতা ফেরানোর যেকোনো সমাধানকে বাধাগ্রস্ত করা। ইসরাইলি সেনাবাহিনী দাবি করেছে, দক্ষিণ লেবাননে অবস্থানরত ইসরাইলি সেনাদের ওপর হিজবুল্লাহর রাতভর হামলার জবাবে তারা এই পাল্টা হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, নাবাতিহ এলাকার কৌশলগত পাহাড়গুলো দখল করার জন্য ইসরাইলি বাহিনী রাতভর অনুপ্রবেশের চেষ্টা করলে তারা সেটি প্রতিহত করেছে এবং যুদ্ধবিরতির সুযোগ নিয়ে ইসরাইল এই অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালায়। হিজবুল্লাহর সংসদ সদস্য হাসান ফাদলাল্লাহ বলেন, ইসরাইলি হামলার জবাব দেওয়ার সম্পূর্ণ অধিকার তাদের রয়েছে এবং ইসরাইল লেবাননের ভূখণ্ড দখল করে রাখলে যেকোনো যুদ্ধবিরতি ‘অর্থহীন’ হয়ে পড়বে।
রিপোর্টারের নাম 




















