বিশ্বকাপ শুরুর আগে তুরস্ককে ইউরোপের অন্যতম ‘ডার্ক হর্স’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল। ২০০২ সালের পর এই প্রথম দলটি বিশ্বকাপে অংশ নিলেও, গ্রুপ পর্ব থেকেই তাদের বিদায় এক বড় হতাশা। তারকাবহুল দল, যেখানে আর্দা গুলের, কেনান ইয়িলদিজ, হাকান চালহানওগ্লুর মতো খেলোয়াড় ছিলেন, তাদের কাছে সমর্থকদের প্রত্যাশা ছিল আকাশছোঁয়া। কিন্তু সেই স্বপ্ন ভেঙে গেছে মাত্র দুই ম্যাচেই। অস্ট্রেলিয়ার কাছে ২-০ এবং প্যারাগুয়ের কাছে ১-০ গোলে হেরে ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে তাদের বিদায় নিশ্চিত হয়েছে।
তুরস্কের বিদায়ের প্রধান কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো তাদের লক্ষ্যহীন আক্রমণ। একের পর এক শট নিয়েও তারা প্রতিপক্ষের জালে বল জড়াতে ব্যর্থ হয়েছে। দুই ম্যাচে মোট ৬২টি শট নিয়েও তারা কোনো গোল করতে পারেনি, যা বিশ্বকাপের ইতিহাসে এক বিব্রতকর রেকর্ড। এই পরিসংখ্যানই বলে দেয় তাদের ফিনিশিংয়ের ভয়াবহতা। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৩০টি এবং প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ৩২টি শট নিয়েও তারা গোল পায়নি। যদিও ম্যাচগুলোতে আধিপত্য, বল দখল এবং আক্রমণের হিসেবে তারা এগিয়ে ছিল, কিন্তু প্রতিপক্ষের ডি-বক্সে গেলেই তারা খেই হারিয়ে ফেলত।
মাঝমাঠে খেলোয়াড়রা ভালো খেললেও, আক্রমণভাগে নির্ভরযোগ্য ‘নাম্বার নাইন’ বা প্রকৃত স্ট্রাইকারের অভাব স্পষ্ট ছিল। আর্দা গুলের বা কেনান ইয়িলদিজ সুযোগ তৈরি করলেও, সেগুলো কাজে লাগানোর মতো কোনো স্ট্রাইকার দলে ছিল না। এর ফলে, গোলের সামনে গিয়ে বারবার ভেঙে পড়তে হয়েছে তুর্কিদের। অনেক সমর্থক ও বিশ্লেষক মনে করছেন, দলের স্কোয়াডে সঠিক স্ট্রাইকারের অভাবই তাদের বিদায়ের অন্যতম প্রধান কারণ।
রিপোর্টারের নাম 























